মুখে মাস্ক হোক অভ্যাস, সচেতন করছে পুলিশ

প্রথমবার সতর্ক করে ছেড়ে দিলাম। পরের বার বিনা মাস্কে রাস্তায় দেখতে পেলেই কেস দেওয়া হবে। সতর্ক হন, না হলে নিজেই পস্তাবেন। সিরাজগঞ্জ শহরের মাস্কহীনদের এ ভাবেই করোনা সচেতনতা বাড়াচ্ছে জেলা পুলিশ।

গত কয়েকদিনে সিরাজগঞ্জ শহর ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মাস্ক না পরে বাইরে বেরনো প্রায় কয়েক হাজার পথচারীকে এ ভাবেই মাস্ক পড়ে বাড়ি পাঠিয়েছেন পুলিশকর্মীরা। এতে ভাল সাড়াও মিলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম (বিপিএম)।

বেশ কিছুদিন সংক্রমণের মাত্রা কম থাকায় রাস্তায়, দোকানে, বাজারে অসংখ্য মানুষের ভিড়। নেই দূরত্ব-বিধির বালাইও। অনেকে বিনা মাস্কেই যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

তাই সংক্রমণে রাশ আসতেই সাধারণ মানুষের সচেতনতায় ঘাটতি মেটাতে নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ-প্রশাসন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাস্ক বিধি মানাতে সকাল-সন্ধ্যা পথে নামছেন পুলিশকর্মীরা। সব থানার পুলিশকর্মীরা দোকানে, বাজারে, পথ চলতি মানুষকে সচেতন করছেন।

সেই ধাবাবাহিকতায় ৫ম দিন বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বিকেলে পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতে মাস্কহীন লোকদের মুখে মাস্ক পড়িয়ে দেন। তিনি বলেন নাই বা সংক্রমণ থাকল, মাস্ক পড়তেই হবে। সিরাজগঞ্জের মানুষকে মাস্ক পড়ায় অভ্যস্ত করে তুলতে সব রকম চেষ্টা করা চলছে। অনুশাসনে সাড়াও মিলছে বেশ ভালো, এখন মাস্ক মুখে পড়েই পথে বের হচ্ছে সিরাজগঞ্জের সিংহভাগ মানুষ।

শহরের মুক্তা প্লাজার সামনে দিয়ে হেঁটে চলা পথচারি আব্দুস সামাদ, কাচামাল ব্যবসায়ী আল-আমিন ও রিকশা চালক রাজ্জাকদের কথায়, মাস্ক না পড়লে পুলিশ মাস্ক পড়ে ফের বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছে। তাই মাস্ক পরেই বেরিয়েছি। দরগা রোর্ডে কলা কিনতে আসা স্কুল শিক্ষার্থী মেঘলা সাহা বলেন, মাস্ক না পড়লে পুলিশ ধরছে। তাই নতুন মাস্ক কিনে পরে এসেছি।

এ সময় জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এম এ মালেক/বার্তাবাজার/এ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর