গতবছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মত কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা বাড়তে থাকে সংক্রমণ। মাঝখানে শীতের মৌসুমে সংক্রমণ কিছুটা কমেছিল। কিন্তু মার্চের শুরু দিকে আবারও বাড়তে শুরু করে তা।
গতবারের তুলনায় এবার সংক্রমণ বৃদ্ধির গতি খুবই দ্রুত। তখন ৬ থেকে ৭ দিন পরপর অবস্থার অবনতি হতে থাকলেও বার তা হচ্ছে এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই। যার ফলে হাসপাতালে শয্যা সংকট বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ রোগী সামলাতে বেশ হিমশিম খাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টায় পর্যন্ত রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হালপাতেলে রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৯৮ জন। ঠিক আধঘণ্টা পরেই এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৪১৩ তে। ধারণক্ষমতা ২৫০ হলেও প্রতিদিন ফিরে যাচ্ছেন অসংখ্য রোগী। এ ছাড়া বেড না পেয়ে জরুরি বিভাগের সামনেই চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে।
চিকিৎসকের পরামর্শে আইসিইউয়ের জন্য রাতভর অপেক্ষা ছিল পঞ্চাষোর্ধ্ব এক নারী। পরে হাসপাতালে বেড না পেয়ে ব্যর্থ হয়ে তাকে নিয়ে অন্য হাসপাতালে যান স্বজনরা। দ্রুত ঘটছে এমন পরিস্থিতি।
কুর্মিটোলা হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেলারেল জামিল আহমেদ বলেন, গতবছরের তুলনায় রোগীর অবনতি হওয়ার হার এবার একটু বেশি। পরিস্থিতি দ্রুত খারাপের দিকে যাওয়ায় জনবল সংকটে চাপ সামলাতে বেগ পেতে হচ্ছে তাদের।
এদিকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল, লালকুঠি হাসপাতাল, ঢাকা মহানগর হাসপাতাল, ডিএনসিসি করোনা আইসোলেশন সেন্টার ও সরকারি কর্মচারী হাসপাতালকে আবারো ডেডিকেটেড হাসপাতাল করা হয়েছে।
বার্তাবাজার/এসজে