যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা বুরুজবাগান এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় কেয়া বেগম(২০) নামে এক মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
বুধবার (২৪ মার্চ) সন্ধার পর কেয়া খাতুন(২০) তার নিজ বাড়িতে ঘরের ভেতর বাঁশের সাথে ওড়না পেঁচানোয় ফাঁস আটকে মৃত্যু বরণ করেছে বলে স্থানীয়রা জানান।
নিহত কেয়া কাশিয়ানি বুরুজবাগান গ্রামের ফারুক হোসেনের কন্যা এবং তিনি এক সন্তানের জননী।
কেয়ার পিতা ফারুক হোসেন বার্তা বাজারকে বলেন, তার মেয়ে নামাজ পড়তে যাওয়ার কথা বলে ঘরে ভিতরে যায় কিন্তু বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও সে বের হচ্ছিলো না। পরে আমরা ঘরের দরজায় খোলার চেষ্টা করলে দরজা ভিতর থেকে বন্ধ পায়। পরে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে ঘরের আড়ার বাশের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। তাকে নামিয়ে আমরা সাথে সাথে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই, ওখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। তারপর ঘটনাস্থল থেকে শার্শা থানা পুলিশ মৃত কেয়ার লাশ থানায় নিয়ে এসেছেন।
এ ব্যাপারে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বদরুল আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বার্তা বাজারকে জানায়, মেয়েটির মৃত্যূতে থানায় অপমৃত্যুর সাধারণ ডায়রি হয়েছে। লাশটি আমরা গতকাল রাতে থানা হেফাজতে নিয়েছি। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। কেন এবং কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টসহ পুলিশী তদন্তের পর বিস্তারিত জানাতে পারবো।
এ্যান্টনি দাস(অপু)/বার্তাবাজার/পি