যশোরের সতীঘাটা মহাসড়কের জায়গা দখল করে ভবন নির্মানের অভিযোগ

যশোর সদর উপজেলার রাজারহাট থেকে মনিরামপুর মহাসড়কের জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ করার অভিযোগ ওঠেছে নুর ইসলামের ছেলে আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গতবছর ৪ এপ্রিল এলাকাবাসী ও সচেতন মহল সড়ক বিভাগের কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দায়ের করলে সড়ক বিভাগীয় প্রকৌশলী কর্মকর্তা এসে রাস্তার জমি মেপে তার সিমানা নির্ধারণ করেন। এরপর আসাদুল ইসলাম প্রায় এক বছর পরে আবারো দখল করেন সে রাস্তার জমি।

এ ঘটনাটি প্রমাণসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তার নিকট পাঠানো হয়েছে। সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা প্রমাণ পাওয়ার পরে ২ দিন অতিক্রম হলেও পূর্ণ ঘটনা বা স্থান পরিদর্শনে আসেনি এবং কি কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি কর্মকর্তাদের। তাদের এই সুযোগে ভবনের মালিক সরকারি কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সেই জায়গায় মাটি ভরাট করে পুনরায় জোরপূর্বক ভবন নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এই ব্যাপারে সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী উচ্চ মান সহকারী কর্মকর্তা নিত্য বাবুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বার্তা বাজার কে জানান, এ বিষয়ে ভবনের মালিক আমার কাছে এসে ভবনের সামনে মহাসড়কের রাস্তায় যাতায়াত পথের অনুমতি জন্য আবেদন করেন।

এই বিষয়ে উপ- বিভাগীয় প্রকৌশলী সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগীয় কর্মকর্তা এস ডি জি মোঃ হাফিজুর রহমান বার্তা বাজার কে বলেন, সড়কের রাস্তার সীমানা পিলার থেকে ১০ মিটার বাইরে ভবন নির্মাণ করা সরকারি আইনে রয়েছে। কিন্তু সে ভবনের সরকারি জমি যাতায়াত জন্য পথ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু সড়কের রাস্তা বা জমি দক্ষল করে ঘর নির্মাণ করা আইনের চোখে অপরাধ। এ বিষয় আমি দেখেছি এবং জেনেছি। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় ২ দিন অতিবাহিত হলেও ঘটনা স্থান পরিদর্শন না করে কি ভাবে সড়ক কতৃপক্ষ নিরবতা পালন করছেন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে জনমনে।

এ ঘটনায় এলাকার কয়েকজনে সঙ্গে কথা বললে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানান।

এ বিষয়ে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ করলেও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের নিরবতার কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকাবাসী।

এ্যান্টনি দাস/বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর