মিঠুন-তামিমের ব্যাটে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জিং স্কোর

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ মাঠে নামে বাংলাদেশ দল। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান কিউই অধিনায়ক টম লাথাম।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। রানের খাতা না খুলে হেনরির বলে ইয়ংয়ের হাতে ধরা পড়ে ফিরেন লিটন দাস। লিটনের বিদায়ের পর সৌম্য সরকারকে নিয়ে উইকেট বাঁচিয়ে খেলতে থাকেন তামিম ইকবাল।

দুইজন মিলে ৮৫ রানের জুটি গড়েন। মিচেল স্যান্টনারের বল এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন সৌম্য। ৪৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩২ রান করেন তিনি। সৌম্যর বিদায়ের পর হাফসেঞ্চুরির দেখা পান তামিম।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫০তম হাফসেঞ্চুরি হাঁকান তামিম। হাফসেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতে পরিণত করতে লড়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু রান আউটের শিকার হয়ে ফিরেন তামিম। মুশফিক নিশামের ডেলিভারি দেখেশুনে খেলছিলেন।

বল ছিল উইকেটের কাছে। তামিম রান নিতে চান। মুশফিকও তাতে সাড়া দেয়। পা দিয়ে উইকেট ভেঙে নিশাম নিজেই তামিমকে রান আউট করেন। এতে ১০৮ বলে ১১ চারে ৭৮ রান করে ফিরেন তামিম।

তামিমের বিদায়ের পর ফিরেন মুশফিক। স্যান্টনারের একটি ডেলিভারি মিড অন দিয়ে উড়াতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে ফেলেন মুশফিক। এর ফলে নিকোলসের হাতে ধরা পড়ে ৩৪ রান করে ফিরেন তিনি।

এরপর দারুণভাবে কিউই বোলারদের মোকাবেলা করেন মোহাম্মদ মিঠুন। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ হাফসেঞ্চুরি। নিশামের বলে মিড ডিপ উইকেট দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মিঠুন। ৪৩ বলে ৪ চার ও ২ ছয়ে সাজান ইনিংসটি।

মিঠুন একপ্রান্ত আগলে রেখে রান বাড়াতে থাকলেও মাহমুদউল্লাহ পারেননি। ৪৮তম ওভারে জেমিসনের বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে মিড উইকেটের গাপটিলের হাতে তালুবন্দি হন তিনি। ১৬ রান করে ফিরেন তিনি।

এরপর ফিরেন যান মেহেদী হাসানও। ৫ বলে ১ ছক্কায় ৭ রান করে বোল্টের বলে নিকোলসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত মিঠুন ৫৭ বলে ৬ চার ও ২ ছয়ে ৭৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর ফলে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান করে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ২৭২ রান।

বার্তাবাজার/নব

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর