‘বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা থাকলে জিয়ার খেতাব নিয়ে প্রশ্ন করাই পাপ’

দেশের স্বাধীনতার যেমন সুবর্ণজয়ন্তী তেমনি দেশের পিতার জন্মশতবর্ষপূর্তি- এ এক মহা আনন্দের ও গৌরবের ক্ষণ। এমন তালমিল সব সময় সব দেশের ক্ষেত্রে হয় না। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীতে অবশ্যই আশা করি মীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আর কাদা ছোড়াছুড়ি হবে না। জিয়াউর রহমান বীরউত্তম মোটেই জাতির পিতা নন, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একজন বীরউত্তম। এ বীরউত্তম খেতাব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সরকার। ভুল করে নয়, দয়া করে নয়, যথার্থই খেতাব পাওয়ার যোগ্য ছিলেন তাই দিয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা থাকলে জিয়াউর রহমানকে বীরউত্তম খেতাব দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করাই পাপ। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে ঐতিহাসিক প্রবাসী মুজিবনগর সরকার বীরউত্তম জিয়াউর রহমানের নামে যে ‘জেড’ ব্রিগেড করেছিল তা যথার্থ ছিল। স্বাধীনতাযুদ্ধের শুরুতে জিয়াউর রহমান কোনো হত্যা বা গণহত্যা করেননি।

গণহত্যা বা হত্যা যেটাই হোক হয়ে থাকলে তা করতে হতো বেঙ্গল রেজিমেন্টকে। কিন্তু জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্ট কোনো গণহত্যা করেনি, কোনো হত্যা করেনি। এমনকি তারা একটি পাখিও মারেনি এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বেঙ্গল রেজিমেন্টের মধ্যে অষ্টম বেঙ্গলের সবচাইতে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা।

সেনা-বিমান-নৌ-বিডিআর-পুলিশ কেউ কোনোখানে সবাই একসঙ্গে যোগদান করেনি। অষ্টম বেঙ্গল আর দ্বিতীয় বেঙ্গল এ দুটি পুরোপুরিভাবে অখ- অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেছিল। তাই জিয়াউর রহমানকে রাজনৈতিকভাবে ছোট করার জন্য যুদ্ধের শুরুতে মানুষ মেরেছে, গণহত্যা করেছে এসব বলা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত করা। রাজনৈতিক ত্রুটি-বিচ্যুতি যাই-ই থাকুক জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিষ্কলঙ্ক, নিষ্কলুষ এতে কোনো সন্দেহ নেই।-বাংলাদেশ প্রতিদিন। (সংক্ষেপিত)।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর