সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় এক নম্বর আসামি করতে হবে রাজাকারের বাচ্চা মামুনুল হককে, যে হচ্ছে সবকিছুর জন্য বেশি দায়ী। দুই নম্বর আসামি করতে হবে হেফাজতের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে।
তিন নম্বর আসামি করতে হবে আজকে এখানে যে উপস্থিত আছেন তাকে যদি গ্রেফতার করা হয়, তাকে যদি ইন্টারোগেশন (জিজ্ঞাসাবাদ) করা হয়, তাহলে অনেক কিছু জানা যাবে। এই চেয়ারম্যানের কতটুকু সম্পৃক্ততা ছিল সেটা জাতি জানতে চাচ্ছে এবং আমরা জানতে চাচ্ছি। সে নিশ্চয়ই সম্পৃক্ত ছিল এর সঙ্গে। তার ব্যাকগ্রাউন্ড দেখতে হবে, তার পরিবারে কোনো রাজাকার আছে কিনা সেটা দেখতে হবে। ’
তিনি বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ (আল আমিন চৌধুরী) জড়িত বলে দাবি করেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।
শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, আমরা আরও অবাক হয়েছি যে, ইউএনও অস্ত্রধারী মানুষগুলোর সঙ্গে মিলে মাইকে কথা বলছে। তার ব্যাকগ্রাউন্ড দেখতে হবে। তার ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো রাজাকার আছে কিনা সেটা দেখতে হবে। তার চাকরি নিশ্চয়ই হয়েছে বিএনপি-জামায়াতের আমলে। আমরা বারবার বলছি, প্রশাসেনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে রাজাকার-আলবদররা লুকিয়ে আছে।
আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ তো পরিস্থিতি সামাল দিতে ওনি তো আগের রাত থেকেই উদ্যোগ নিয়েছেন, বড় একটি অংশকে ফেরত পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছেন, তার নাম কেন নিয়েছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘দুই দিন আগে মাইকিং হয়েছে মসজিদ থেকে, তারপরে আজকে সে (উপজেলা চেয়ারম্যান) যে কথা বলতেছে, এর থেকে আরও পরিষ্কার সে এটার সঙ্গে ছিল। তাকে গ্রেফতার করা উচিত, তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই অনেক কিছুই বেরিয়ে যাবে।’
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম