ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে দুই গ্রাম থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটজন মাতবরকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২২ মার্চ) অটোরিকশা চালানোকে কেন্দ্র করে হামিরদী ইউনিয়নের বড় ও ছোট মুজকুরনী গ্রামবাসীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানান, গতকাল রবিবার (২১ মার্চ) সকালে অটোরিকশার সিরিয়াল ধরা নিয়ে ছোট মুজকুরনী গ্রামের আটোরিকশা চালক সুমন শেখ বড় মুজকুরনী গ্রামের অটোরিকশা চালক সুজন খালাসীকে মারধর করে। এর জের ধরে সোমবার সকাল ১১টায় উভয় গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে ফরিদপুর থেকে দাঙ্গা পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এ সময় উভয় গ্রামের নারী পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর প্রায় ১০ জনকে ভাঙ্গা ও ফরিদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি ঘরবাড়িতেও ভাঙচুর করা হয় বলে এলাকাবাসী জানান।
এবিষয়ে ভাঙ্গা থানা ওসি (তদন্ত) বিকাশ মন্ডল বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ হয়। ওই গ্রাম থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ আট জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ বাদী মামলা হবে। গ্রামবাসীর পক্ষে এখনও কোনো মামলা হয়নি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
মিয়া রাকিবুল/বার্তাবাজার/এসজে