৭ বছর ধরে হাসপাতাল আছে, চিকিৎসা নেই

যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের গোড়পাড়ায় ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য হাসপাতাল ৭ বছর আগে ২০১৪ সালে ৫ কোটি ৪৭ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটির নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এখনো হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে আসবাবপত্র। হাসপাতালের ভিতরে রয়েছে ময়লার কারখানা। কার্যক্রম চালু না হওয়ায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নিজামপুর, ডিহি ও লক্ষণপুর ইউনিয়নসহ এই এলাকার মানুষ।

শুধু উপজেলার এই হাসপাতাল নয়, প্রায় একই সময়ে নির্মিত উপজেলার ১০ শয্যার বেনাপোলের একটি হাসপাতালেরও একই অবস্থা। তারা এখন প্রধান কারণ হিসাবে জনবল সংকটকে দায়ী করছে।

গোড়পাড়া ১০ বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য হাসপাতালের নেই চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারী। নেই কোনো ওষুধও।

স্থানীয় এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০১৪ ইং সালে। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত হাসপাতালটি নির্মাণ হলে এখনো চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত এলাকাবাসী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রায় ১২-১৩ কিলোমিটার দূরে অনেক সময় জরুরি চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হতে হয়। এতে আমাদের অনেক রোগী জরুরী চিকিৎসার কারণে মারা যায়। আমরা সকলেই চাই হাসপাতালে দ্রুত হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হোক।

যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ আবু শাহীন বলেন, শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের গোড়পাড়ার ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটি নির্মিত হয়েছিলো স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরবর্তীতে আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর