মুসলিমদের পবিত্র শবে বরাতের বাকি আছে এখনও এক সপ্তাহের। এর আগেই আচমকা বেড়ে গিয়েছে চিনি, মাংস ও পাস্তুরিত তরল দুধের দাম। এই অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে দেশের স্বল্প আয়ের মুসলিমরা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, খোলা বাজারে যে চিনি আগে ৬৫ থেকে ৬৮ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হতো তা এখন ৩টাকা বেড়ে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। তরল দুধের সুপরিচিত ব্র্যান্ড মিল্ক ভিটা লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়েছে তরল দুধের দাম। নতুন দাম লিটারপ্রতি ৭৫ টাকা।
আর কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে বেড়ে এখন গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা থেকে ৬০০ টাকায়। যা দেশের বাজারে রেকর্ড। এর আগে এত মূল্যবৃদ্ধি ঘটেনি গরুর মাংসের।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, শবে বরাতে গরুর মাংস, চিনি ও দুধের চাহিদা বাড়ে। মুরগির দাম আগে থেকেই বাড়ছিল। গত সপ্তাহে সে তালিকায় যুক্ত হয়েছে গরুর মাংস।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও পাড়া–মহল্লার মাংস ব্যবসায়ীরা বলছেন, হাটেই বাড়তি দামে গরু কেনাবেচা হচ্ছে। এ কারণে গরুর মাংসের দাম বেড়েছে। মোহাম্মদপুরের টাউন হল কাঁচাবাজারের মাংস বিক্রেতা সালাউদ্দিন বলেন, গরুর মাংস এখন ৬০০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে ৫৮০ টাকায় বিক্রি হতো।
টাউন হলের পাশাপাশি আজ বৃহস্পতিবার মোহাম্মদপুরের কাটাসুর ও মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের কাঁচাবাজারের গিয়ে দেখা যায়, মুরগি বিক্রেতারা দর-কষাকষির কোনো সুযোগ দিচ্ছেন না। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, সোনালিকা ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৪৫০ টাকা কেজি হাঁকছেন তাঁরা।
মিরপুরের টোলারবাগের বাসিন্দা সামছুর রহমান বলেন, তিনি কল্যাণপুর নতুন বাজার থেকে সোনালিকা মুরগি প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা দরে কিনেছেন। এক সপ্তাহ আগেও এই মুরগি প্রতি কেজি ৩২০ টাকা ছিল।
বার্তাবাজার/এসজে