চিকিৎসা না দিয়ে প্রসূতিকে বিদায়, হাসপাতালের সামনেই সন্তান প্রসব
বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গিয়ে পুরো চিকিৎসা না পেয়েই ছাড়পত্র পান ফাতেমা (২০) নামে এক প্রসূতি। কিন্তু হাসপাতাল থেকে বের হয়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় উঠতেই তিনি সন্তান প্রসব করেন।
ভুক্তভোগী ওই প্রসূতির বাড়ি উপজেলার উল্লাপাড়া গ্রামে। তার স্বামীর নাম আসাদুল ইসলাম। প্রথমবার মা হওয়া ফাতেমার এই ছেলে সন্তানের নাম রাখা হয়েছে আলী আকবর।
সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে সন্তান নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ফাতেমা । তবে শিশুটি সুস্থ থাকলেও তার মা ফাতেমা খাতুন উচ্চ রক্তচাপজনিত রোগে কাতরাচ্ছেন। হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।
সূত্র জানায়, ফাতেমা খাতুনের প্রসববেদনা উঠলে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বজনরা। তাকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করান। মাত্র ২০ মিনিট পর নার্সদের পক্ষ থেকে জানানো হয় তাকে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেলিভারি করানো সম্ভব না। একপর্যায়ে হাসপাতাল থেকে ফাতেমাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তখন হাসপাতালের দ্বিতীয় তলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে বসতেই সেখানে সন্তান প্রসব করেন ফাতেমা।
ফাতেমা খাতুনের স্বামী আসাদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ছাড়পত্র দিয়ে আমাদের হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করেন। এ সময় হাসপাতাল চত্বরেই আমার স্ত্রী সন্তান প্রসব করে। আমাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা অমানবিক।
বার্তাবাজার/এসজে