আজ রবিবার সকাল ৬:০৪, ২০শে আগস্ট, ২০১৭ ইং, ৫ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলক্বদ, ১৪৩৮ হিজরী

রাবিতে সাংবাদিক মারধর: আসামিদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : জুলাই ১১, ২০১৭ , ২:২৫ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : গণমাধ্যম,রাজশাহী
পোস্টটি শেয়ার করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি স্টারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরাফাত রহমানকে মারধরের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আসামিদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন সাংবাদিকরা। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দায়েরকৃত মামলা যেন কোনও রাজনৈতিক প্রভাব বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত না হয়। পুলিশ যেহেতু মামলা গ্রহণ করেছে, তাই মামলার আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে। কারণ দেশে প্রচলিত আইনে আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বক্তরা বলেন, ‘আরাফাত সাংবাদিক হওয়ার পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দায়িত্বও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ওপর বর্তায়।’ এসময় বক্তারা জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান।

ঘণ্টাব্যাপী চলা এ মানববন্ধনে রাজশাহী ও রাবিতে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এতে বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, রাবি কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোট, রাবি ছাত্র ফেডারেশন, ঝিনাইদহ জেলা সমিতি সংহতি জানায়।

রাবি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুস্তাফিজ রনির সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন দৈনিক সমকালের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান সৌরভ হাবীব, যমুনা টিভির ক্যামেরাম্যান জাভেদ অপু, রাবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি হাসান আদিব, সহ-সভাপতি মোস্তাফিজ মিশু, রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি কায়কোবাদ খান, সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মিঠু, রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি তাসলিমুল আলম তৌহিদ, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আব্দুল মজিদ অন্তর প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দেশ ট্রাভেলস-এর বাস ভাঙচুর করছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আহমেদ সজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক আবিদ আল হাসান লাবন, আইন বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাননসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। ওই ঘটনার ছবি তোলায় সাংবাদিক আরাফাতকে বেধড়ক মারধর করে তারা। ওইদিন রাতে নগরীর মতিহার থানায় সাংবাদিক আরাফাত বাদী হয়ে চার ছাত্রলীগ নেতার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ওই চারজন হলেন ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কানন, আইন বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়, সহ-সভাপতি আহমেদ সজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক আবিদ আহসান লাবন।