সিরাজগঞ্জে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করেছেন জুয়েল আহমেদ (৩০) নামে ১১ মামলার এক আসামি। বুধবার (১৭ মার্চ) বিকালে সদর উপজেলার যমুনার দুর্গম গোটিয়ার চরে এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, জুয়েল আহমেদকে ধরতে সদর থানার এসআই মেহেদী হাসান ফোর্স নিয়ে অভিযানে বের হন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূল হোথা জুয়েলকে আত্মসমর্পণের আহ্বান করে পুলিশ। তখন ধূর্ত জুয়েল পুলিশের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেখানেই সে মারা যায়।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিগ্ধ আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, মোটরসাইকেল চুরি সিন্ডিকেটের মূল হোতা জুয়েলের নামে সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, মানিকগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলায় ১১টি চুরির মামলায় ৯টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে পলাতক ছিল।
তিনি আরও বলেন, বুধবার তার সদরের মেছরা ইউনিয়নের গোটিয়ারচরে নিজ বাড়িতে আসার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযানে যায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিজ ঘরে ঢুকে দরজা আটকে দেয় জুয়েল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তাকে আত্মসমর্পন করতে বারবার অনুরোধ জানায় পুলিশ। এক পর্যায়ে সে নিজ শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করে। তার লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
মেছরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ জানান, জুয়েলের বাবা আলম ডাকাতও চরে নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত। বুধবার বিকেলে আমরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে জুয়েলকে আত্মসমর্পনের জন্য বারবার অনুরোধ জানাই। কিন্তু সে আত্মহননের পথ বেছে নেয়।
বার্তাবাজার/এসজে