সিলেটের বিয়ানীবাজারে নাজিম উদ্দিন নামে এক যুবকের দায়ের কুপে নাজমিন আক্তার নামে এক স্কুল পড়ুয়া তরুণী খুন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের বালিঙ্গলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিল্লোল রায়সহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
নিহত তরুনী নাজমিন আক্তার বালিঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। সে বালিঙ্গা গ্রামের সামসুল হক চৌধুরীর (কমতউ) পালিত কন্যা।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবক নাজিম উদ্দিন পলাতক রয়েছে। তাকে কাকরদিয়া খেয়াঘাট এলাকা দিয়ে স্থানীয়রা পালিয়ে যেতে দেখেছেন।
কাকরদিয়া এলাকার জনৈক ব্যক্তি বার্তা বাজারকে বলেন, খেয়াঘাটের নৌকা দিয়ে পালানোর সময় কুশিয়ারা নদীর কাকরদিয়া এলাকায় আসার পর সে নদীতে ঝাঁপ দেয়। উপস্থিত লোকজন ঘটনা বোঝার আগেই সাঁতার কেটে পালিয়ে যায়। নাজিম উদ্দিনের বাড়ি উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকায় হলেও সে পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন থেকে নানার বাড়ি বালিঙ্গায় বসবাস করতো।
স্থানীয়রা জানান, মৃত আব্দুল খালিকের পুত্র নাজিম উদ্দিন দুই বছর পূর্বে নাজমিনকে উত্ত্যক্ত করতো। এ বিষয়টি পারিবারিকভাবে নিষ্পতি হয়েছিলো। মঙ্গলবার সকালে নাজিমকে গৃহস্থলির কাজ করতে দিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে সামসুল চৌধুরী নিজেদের নতুন বাড়ি দেখতে যান। বাড়ি একা পেয়ে নাজিম ঘরে ভেতর টিভি দেখতে থাকা নাজমিনের ঘাড়ে একাধিক কোপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু ঘটে।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিল্লোল রায় বার্তা বাজারকে জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করার প্রস্তুতি চলছে।
ফাহিম আহমদ/বার্তাবাজার/হৃ.আর