ধামইরহাটে দিগন্তজুড়ে বোরো ধানের সবুজ সমারোহ

নওগাঁর ধামইরহাটে চলতি মৌসুমে ফসলি জমির মাঠগুলোতে এখন শোভা পাচ্ছে ইরি-বোরো ধানের চারায় বেড়ে ওঠা সবুজ সমারোহ। দিগন্ত জুড়ে ধানের সবুজ বাহারী রঙে ভরে রয়েছে উপজেলার মাঠগুলো। গত মৌসুমে ধানের ফলন কম হওয়ায় এবার কমড় শক্ত করে মাঠে নামেন কৃষকরা। কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ মৌসুমে ভালো ফলনের আশায় রয়েছে কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবং আধুনিক পদ্ধতি অনুসারে ধান চাষ করায় আর দেড় মাসের মধ্যে চলতি মৌসুমের ফসল ঘরে তুলতে আনতে পারবেন কৃষকরা এমনটা ধারণা করছেন কৃষি বিভাগ। মাঠে সবুজ ধানের দোলের সাথে কৃষকের মনে ও দোল খাচ্ছে সোনালী স্বপ্ন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা না দিলে এবছরে ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে উপজেলায় মোট ২৩ হাজার ৮শত ৫৫হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। তার মধ্যে চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮হাজার ৬শত ৫হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় সঠিক সময়ে চারা লাগানো, নিবিড় পরিচর্যায় চারা রোপণ থেকে শুরু করে যথা সময়ে সেঁচ দেয়া ও সার সংকট না থাকায় এবছরে ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মধ্যে হালকা বৃষ্টিপাত হলে ধানের রোগ-বালাই অনেকাংশে কমে যাবে এমনটা ধারণা করা হচ্ছে।

উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বীরগ্রাম এলাকার কৃষক মো. বাবুল হোসেন জানান, চলতি বছরে আমি প্রায় দেড় বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করছি। কোন ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে বিগত বছরের তুলনায় এবার ভালো ফলন ঘরে তুলতে পারব। কিন্তু সঠিক সময়ে ধানের সুষ্ঠু দাম থেকে বঞ্চিত হতে হয় কৃষকদের। কিন্তু বাজারে ধানের দর যেমন রয়েছে তা বোরো মৌসুমে পাওয়া গেলে বিগত বছরের ক্ষতি কিছুটা মেটানো সম্ভব হবে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানান, চলতি মৌসুমে শুরু থেকেই কৃষকদের চাষাবাদে সঠিক পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবছরে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

রেজুয়ান আলম/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর