যমুনার চরাঞ্চলে সড়কপথ নির্মাণে ফিরছে স্বস্তি

যমুনা নদীর চরাঞ্চলে ঘোরজান ইউনিয়নের কড়ইতলা থেকে স্থল ইউনিয়নের নওহাটা বাজার হয়ে নৌঘাট পর্যন্ত মাষ্টার প্লানে প্রায় ১২ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। চরের মধ্যে এমন সড়কপথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নের ছোয়া চূড়ায় পৌঁছেছে ভাঙ্গন কবলিত চৌহালীতে।

এ যেন সড়কপথ নির্মাণে পার্শ্ববতী এনায়েতপুর উপজেলার সাথে যোগাযোগের এক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ উপজেলার অনেকেই বলছেন সরকারের উন্নয়ন ও রাজস্ব আদায়ের একটি যুগান্তকারী পর্যটক শহরে রুপ নিবে যদি সড়ক পথের দুই পাশেই বসতভিটে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, হাট বাজার, সড়ক পাকা ও দু পাশের মাটি ধস বন্ধে কাজ করা হয় তাহলেই সেটা আলোর মুখ দেখবে।

স্থল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বার্তা বাজারকে বলেন, এ সড়কপথ স্থাপনে পর্যটকদের পথচারণায় মুখরিত হয়ে উঠবে। সড়কের নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন ও পাকা সড়ক নির্মাণ করা হলে চৌহালীর প্রায় দুই লাখ মানুষের কষ্ট লাগব হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজনু মিয়া বার্তা বাজারকে বলেন, ইতিমধ্যে এ দৃশ্যমান সড়কপথ পরিদর্শন করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের উপসচিব মোছাঃ আজমেরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের যুগ্ন সচিব এস এম এনামুল করিম, উপপরিচালক শেখ সিরাজুল ইসলাম, রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগিয় কমিশনার ( রাজস্ব) ও জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন অফিসার মো. আঃ রহিম।

সেই সাথে ১০টি সেতু নির্মাণ পরিকল্পনা প্রস্তাব দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ২টি সেতুর কাজ চলমান রয়েছে। ২টি মুজিব কিল্লা স্থাপন করা হবে ঘোরজান ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থল ইউনিয়ন পরিষদে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক সরকার বার্তা বাজারকে বলেন, এ রাস্তা সচল হলে চৌহালী বাসির বাঁঁচবে সময়, কমবে ভোগান্তি, আশা যাওয়া ও বিনোদন বান্ধব মানুষের পথচলায় মুখরিত হয়ে উঠবে চৌহালী।

স্থানীয় সাংসদ আব্দুল মমিন মন্ডল এমপি মুঠোফোনে বার্তা বাজারকে বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন উন্নয়ন বাস্তবায়নে অংশ হিসেবে এ প্রস্থাবিত প্রাকলন সাড়ে ৫ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ে ৪০ লাখ টাকার কাজ চলমান রয়েছে। এ প্রজেক্ট বাস্তবায়নে একটি পরিকল্পিত রাস্তা গড়ে তোলা ও চরের ভিতর সড়কপথে রুপ স্থাপনে সিরাজগঞ্জ, বেড়া-শাহজাদপুর ও চৌহালী এনায়েতপর এলাকাবাসীর একটি বড় দাবি পূরণ হবে।

এম এ মালেক/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর