নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে থেকে সাদা পোশাকে একদল গোয়েন্দা পুলিশ বাদলকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারের পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাদলের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেখা যায়।
স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন-‘সবাই ধৈর্য ধরুন। দেহে একবিন্দু রক্ত থাকতেও প্রিয় নেত্রী ও প্রিয় নেতার অপমান আমরা সইব না। কোম্পানীগঞ্জকে অপশাসনের হাত থেকে মুক্ত করব ইনশাআল্লাহ। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। দেখা হবে মুক্ত কোম্পানীগঞ্জে।’
এই স্ট্যাটাসের পরেই তার অনুসারীরাও এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন।
আগে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে গভীর রাত পর্যন্ত দোকানপাট খোলা থাকলেও এখন সন্ধ্যা নামার পরপরই বেশির ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। এ পরিবর্তন মির্জা কাদের ও মিজানুর রহমান বাদল মুখোমুখি অবস্থান নেয়ার পর থেকেই।
এক মাসের ব্যবধানে ব্যস্ততম বসুরহাটের এ পরিবর্তনই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আতঙ্কের বিষয়টি স্পষ্ট করে তোলে।
বার্তাবাজার/পি