মহেশপুর সীমান্তে নারী ও শিশু পাঁচারকারী দালালের মাধ্যমে ৪০ হাজার টাকার চুক্তিতে অবৈধ পথে ভারতে যাওয়ার সময় রাতের অন্ধকারে এক নারীকে (৩৫) দল বেঁধে ধর্ষনের চেষ্টা করা হয়েছে। ৪ জন দালাল মিলে ঐ নারীকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। পরে তারা ধর্ষনে ব্যর্থ হয়ে ঐ নারীর কাছে থাকা ৪৭ হাজার টাকা ও ৩টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
বুধবার (১০ মার্চ) গভীর রাতে মহেশপুরের শ্যামকুড় সীমান্তের পদ্মকুপুর গ্রামের মাঠের মধ্যে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এঘটনায় বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) দুপুরে মহেশপুর থানায় ৪জন নারী ও শিশু পাচারকারী দালালের নামে ঐ নারী বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
বাদির স্বামী বিল্পব বিশ্বাস বার্তা বাজারকে জানান, আমি, আমার স্ত্রী, মা, বাবা, ভাই ও আমার দু’সন্তান নিয়ে দালালদের সাথে ৪০ হাজার টাকার চুক্তিতে ভারতে যাচ্ছিলাম। ভারতে যাওয়ার পথে সামান্ত এলাকায় রাতে পৌঁছালে দালালরা আমাদেরকে বলে এক এক করে আমরা আপনাদের সীমান্ত পার করবো। এ কথা বলার পর আমার স্ত্রীকে তারা নিয়ে যায়।
তিনি বার্তা বাজারকে আরো জানান, আমার স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে আমি আমার স্ত্রীকে আর খুজে পাইনি। পরে আমি ও আমার ভাই এলাকাবাসীর সহযোগীতায় বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যদের নিয়ে আমার স্ত্রীকে একটি ভূট্টা ক্ষেতের মধ্যে খুজে পাই। ততক্ষনে তারা আমার স্ত্রীর কাছে থাকা ৪৭ হাজার টাকা ও ৩টি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় ৪ দালাল।
শ্রীনাথপুর বিজিবি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার হাফেজ মোহাম্মদ মাওলা বার্তা বাজারকে জানান, রাতে আমরা যখন যানতে পারি এক নারীতে পাঁচারকারী দালালরা নিয়ে গেছে তখন আমরা এলাকার মাঠ ও মাঠের ক্ষেত গুলোতে খোঁজা খুজির এক পর্যায়ে একটি ভূট্টা ক্ষেতের মধ্যে থেকে ঐ নারীকে উদ্ধার করি।
মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বার্তা বাজারকে জানান, ৪ জন আসামীর নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। তবে তদন্তের সার্থে আসামীদের নাম দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা।
আজাদ বিশ্বাস/বার্তাবাজার/হৃ.আর