কেশবপুরে তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকের ক্যামেরা ও মাইক্রোফন ছিনতাই হয়েছে। এই ঘটনায় ঐ সাংবাদিক নিজে বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে থানা থেকে জানা যায়, যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদ সংলগ্ন কেশবপুর থানাধীন মেহেরপুর বিলের মধ্য হতে স্থানীয় ভুমিদস্যু রাশেদুলের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি কেটে ভারী যান বাহনে করে বিক্রি করছে এই ধরনের একটি সংবাদ পেয়ে চ্যানেল এস এর কেশবপুর প্রতিনিধি আক্তার হোসেন, জবস টিভির কেশবপুর প্রতিনিধি আব্দুল করিম ও দৈনিক আমাদের সময়ের কেশবপুর প্রতিনিধি এম. এ রহমান বুধবার সকালে (১০ মার্চ) তথ্য সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যান এবং মাটি কাটার স্থান ও মাটি বহন করা ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তার ভিডিও ধারন ও ছবি তুলতে থাকেন। এসময় স্থানীয় ভুমিদস্যু ও মাটি ব্যবসায়ী কেশবপুর উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের উজির আলী গাজীর ছেলে দুর্ধর্ষ আব্দুর রশিদসহ কতিপয় সন্ত্রাসী ভিডিও ধারন ও ছবি তুলতে বাঁধা সহ সাংবাদিকদের অশ্লীল ভাষায় গালি গালাজ করেন।
এসময় সাংবাদিকরা তাদের হুমকীর মুখে পড়ে উক্ত স্থান ত্যাগ করে পাশ্ববর্তী গোবিন্দপুর হাইস্কুল মোড়ে অবস্থান নেন। সাংবাদিকদের অবস্থান টের পেয়ে অবৈধভাবে মাটি ক্রয়-বিক্রয় সিন্ডিকেটের হোতা আব্দুর রশীদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী গোবিন্দপুর হাইস্কুল মোড়ে সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে রাস্তা ও মাটি কাটার ভিডিও ধারনের তথ্য প্রমান সম্বলিত ডি.এস.এল আর ৭০০ ডি মডেলের চ্যানেল এস এর ক্যামেরা ও মাইক্রোফন ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা মারধর করার চেষ্টা চালায়।
এসময় ঐ সিন্ডিকেটের প্রধান রশীদ হুমকী দিয়ে বলেন, যদি কোন চ্যানেল বা পত্রিকায় এই সংবাদ প্রকাশ হয় তাহলে সেই সাংবাদিককে জানে মেরে ফেলা হবে।
এ ঘটনায় চ্যানেল এস এর কেশবপুর প্রতিনিধি উপজেলার কাস্তা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে আক্তার হোসেন বাদী হয়ে ঐদিন বিকেলে আব্দুর রশীদের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসিম বার্তা বাজারকে বলেন, ঘটনা শুনেছি এবং অভিযোগ পেয়েছি। ক্যামেরা ও মাইক্রোফন উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ্যান্টনি দাস/বার্তাবাজার/ভি.এস