যশোরের চৌগাছায় টু পুড়োপাড়া সড়কে একটি কালভার্ট নির্মাণের অভাবে পথচারীদের দুর্ভোগের শেষ নেই।
মাসের পর মাস কালভার্ট ভেঙ্গে থাকলেও বিষয়টি দেখার কেউ নেই। যানবাহন শ্রমিকরা ভাঙ্গা জায়গায় মাটি ভরাট করে কোন রকমে চলাচল করে আসছে। ফলে বর্ষায় কালভার্টের উত্তর পাশের ফসলি জমিসহ বসতবাড়ি পানিতে ডুবে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
যশোরের চৌগাছা উপজেলা সদরের সাথে পুড়াপাড়ার এক মাত্র সড়কপথে যোগাযোগের মাধ্যম এটি। এই সড়কে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় যানবাহনের শ্রমিক ও স্থানীয়রা মিলে ভাঙ্গা কালভার্ট মাটি ও ইট দিয়ে ভরাট করে কোন রকমে চলাচল করে থাকে। কিন্তু কিছুদিন পরেই শুরু হবে বর্ষা মৌসুম। বর্ষায় কালভর্টের উত্তরপাশে শ্যামনগর গ্রাম ও ফসলি জমির পানি ওই কালভার্টের নিচ দিয়ে বের হয়। মাটি দিয়ে কালভার্ট ভরাট করায় স্থানীয়দের কপালে দুঃশ্চিন্তার ভাজ পড়েছে। বর্ষার আগেই ভাঙ্গা কালভার্ট নির্মান করা না হলে তারা বড় সমস্যায় পড়বেন। তাদের বসতবাড়ি তলিয়ে যাওয়াসহ ফসলি জমির ফসল নষ্ট হতে পারে।
শ্যামনগর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান, মনির উদ্দিন মারুফ হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক ব্যাক্তিগত সাক্ষাৎকারে বার্তা বাজার প্রতিবেদককে হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, ৬ মাসের বেশি সময় ধরে এই কালভার্ট ভেঙ্গে যাওয়ায় মানুষের কষ্ট বেড়েই চলছে। ভাঙ্গা স্থানে প্রতি দিনই ছোটখাটো দূর্ঘটনা লেগেইে থাকে। অপরিচিত কোন ব্যক্তি এখানে মটরসাইকেল কিংবা অন্য কোন যানবাহনে এলেই দূর্ঘটনার মুখে পড়ছেন। ছোটখাটো যানবহন প্রতি দিনই নষ্ট হয়ে যায়। শ্রমিকরা নিজ উদ্যেগে ভাঙ্গা কালভার্ট মাটি ও ইট দিয়ে ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করেছেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে কালভার্ট বন্ধ করে দেয়ার ফলে বর্ষা শুরু হলে পানি বের হওয়ার কোন সুযোগ নেই। এতে করে বসতবাড়ি ও ফসলিজমি পানিতে তলিয়ে যাওয়া সম্ভবনা রয়েছে।
সরজমিনে ওই স্থানে থাকাকালীন এক পথচারী বিল্লাল হোসেন উপস্থিত মতে বার্তা বাজারকে জানান, গুরুত্বপূর্ণ সড়কের এই কালভার্ট ভেঙ্গে থাকা সাজে। আর সেখানে আজ ৬ মাস হয়ে যাচ্ছে কতৃপক্ষের কোন নড়াচড়া লক্ষ করা যায় না। অনেকে বিকল্প পথে উপজেলা সদরে যাতায়াত করছেন।
ওই সড়কে চলাচলকারী যানবহনের চালক রা বলেন কালভার্ট মাটি দিয়ে ভরাট করায় এখন কোন রকমে চলাচল করতে পারছি। দ্রুত এই ভাঙ্গা কালভার্ট মেরামত করা প্রয়োজন।
এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মুনছুর রহমান বার্তা বাজারকে বলেন, ভাঙ্গা কালভার্ট নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়ে গেছে। আমরা আশা করছি চলতি মাসেই নির্মান কাজ শুরু হবে।
এ্যান্টনি দাস/বার্তাবাজার/ভি.এস