কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগের দু পক্ষের গোলাগুলি, আহত ৭

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভার শেষ মুহূর্তে হামলার অভিযোগ করেছেন উপজেলা আ.লীগ নেতৃবৃন্দ।

এ সময় দু’পক্ষের অন্তত ৭জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, মো.আজিজ খোকন (৫০), মো.করিম (৪৫) গুলিবিদ্ধ মো.রাজিব হোসেন (২৪), মো. এমরান হোসেন (২৪), জিংকু (২০)।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খাঁনের ওপর মির্জা কাদেরের নেতৃত্বে হামলার প্রতিবাদে বসুরহাট বাজারের রুপালী চত্তরে আয়োজিত প্রতিবাদ সভার শেষ মুহূর্তে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

কাদের মির্জার ভাগনে ফখরুল ইসলাম রাহাত জানান, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তি যোদ্ধা খিজির হায়াত খাঁনের ওপর কাদের মির্জার নেতৃত্বে হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে রুপালী চত্তরে প্রতিবাদ সভা চলছিল।

ফখরুল আরো বলেন প্রতিবাদ সভার একেবারে শেষ মুহূর্তে মির্জা কাদেরের অনুসারীরা বনফুলের মাঝখানের গলি থেকে সভায় ককটেল ও ছোড়াগুলি ছোঁড়ে এবং সভার পার্শ্ববর্তী এলাকায় ব্যাপক ককটেল বিষ্ফোরণ করে একটি নৈরাজ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। এ সময় রাজিব নামে এক পায়ে গুলিবিদ্ধ হয় এবং একজন বোমার স্পিন্টারে আহত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে,সভাস্থল থেকে উপজেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ সাথে মাকসুদাহ গার্লস স্কুল রোডে দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা, ককটেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশ দু’পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পুরো বসুরহাট বাজার জুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

বসুরহাট পৌরসভা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বলেন, আমাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আজ আমরা ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছি। ব্যবসায়ী এলাকায় আর কোনো মিছিল মিটিং সমাবেশ না হয় সে বিষয়ে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। কোনো অবস্থাতেই আমাদের ব্যবসায়ী এলাকায় মিছিল-মিটিং সমাবেশ না হয় সেজন্য আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। এ বিষয়ে আমরা দ্রুত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়ে দিবো।

ব্যবসায়ী এলাকায় কোন মিছিল সমাবেশে না হয় এইজন্য ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে। এ বিষয়ে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা মুঠোফোনে বলেন, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা আজকে গুন্ডা বাহিনীর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে প্রতিহত করেছে। এবং গতকাল যারা মুজিব শতবর্ষ উদযাপনের মঞ্চ ভাংচুর করেছে জনগণ তার জবাব দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন আমি সত্য কথা বলছি বলবো, আমার এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা আমাকে খুব ভালো করে চিনে এবং জানে আমি কি গুন্ডাপান্ডা লালন পালন করি কি না। এজন্য আজকে ব্যবসায়ীরা তাদের কে প্রতিহত করেছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিনার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি ফোনে কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর