শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেল বলেছেন, ইচ্ছা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হচ্ছে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হচ্ছে। ৩০ মার্চের পর আশা করি সব খোলা সম্ভব হবে। যদি করোনার সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকে তাহলে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও খুলে দেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে।
মঙ্গলবার (৯ মার্চ) কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড মিলনায়তনে আয়োজিত কভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় আরো বক্তব্য রাখে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুস সালাম, সচিব নূর মোহাম্মদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহাদাত হোসেন।
উপমন্ত্রী আরো বলেন, কুমিল্লায় এসে মতবিনিময় করার উদ্দেশ্যই হলো মাঠ পর্যায়ে থেকে জানা। আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলতে কতটা প্রস্তুত আছি। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও আমাদের শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। করোনা পরবর্তী সময়ে যে পরিবর্তন আসবে এতে শিক্ষকদেরই নেতৃত্বে থাকতে হবে।
এর আগে কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর থেকে আসা শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দেন। মতামতে তারা জানান, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন সুরক্ষা নীতি তৈরি করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু করা যাবে বলেও জানান তারা। তবে সেক্ষেত্রে করোনার সমংক্রমণের যে গতি তার দিকে খেয়াল রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত হবে মত দেন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা।
আলোচনা সভার আগে শিক্ষা উপমন্ত্রী ও অতিথিরা শিক্ষাবোর্ড প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুলের শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। এ ছাড়া একটি ওষধী বৃক্ষ রোপণ করেন অতিথিরা।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম