পাকিস্তানের দোসর-তাঁবেদাররা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে ফেলতে তৎপর: কৃষিমন্ত্রী (ভিডিও)

পাকিস্তানের এ দেশীয় দোসর ও তাঁবেদাররা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও নারকীয় গণহত্যার স্মৃতি মুছে ফেলতে তৎপর রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

কৃষিমন্ত্রী সোমবার (৮ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরে বধ্যভূমি সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্র’ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন..

তিনি বলেন, যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করে ও অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করে। তারা বাংলাদেশের চেতনাকে নষ্ট করতে চায়। বাংলাদেশকে হত্যা করতে চায়। যারা পাকিস্তানের উচ্ছিষ্টভোগী, দোসর ও তাঁবেদার। যারা পাকিস্তানের ধারায় ধর্মকে ব্যবহার করে দেশকে ও দেশের মানুষকে শোষণ করতে চায় তারাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করে।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের দ্বারা সংঘটিত নারকীয় হত্যাকান্ডের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলতে চায়। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। ইতিহাসের সত্যকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায় না। আজ ইতিহাসের সত্য উৎঘাটন হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবস্থান ইতিহাসের এক ক্ষুদ্র জায়গায়।

স্মৃতিকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচন করে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ একটি মহাকাব্য। আর এ মহাকাব্যের মহানায়ক হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতাযুদ্ধ পর্যন্ত সকল আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু ছিলেন মূল সংগঠক। তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক ও বাহক। সাত কোটি মানুষকে তিনি স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিলেন। সাত কোটি নিরস্ত্র বাঙালিকে সংগঠিত করে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।

এ সময় তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, আতোয়ার রহমান খান এমপি, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী এমপি, ছানোয়ার হোসেন এমপি, আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি, মমতা হেনা লাভলী এমপিসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

হাসান সিকদার/বার্তাবাজার/এ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর