বগুড়ার শেরপুরে করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষার্থীদের প্রণোদনা পাওয়ার জন্য বিদ্যালয় থেকে প্রত্যয়ন পত্র দিতে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ফুলজোড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, (ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ ডট শেড ডট গভ ডট বিডি) নামক একটি ওয়েব সাইটে কোভিড ১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ অনুদান প্রদানের লক্ষে অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়। এর কতটুকু সত্যতা আছে তা কেউ জানেনা। আর এ কারণে প্রয়োজন হয় প্রত্যেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্র। এরই প্রেক্ষিতে উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের দেখা যায় শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভীর। আর এই সুযোগেই ফায়দা লুটতে প্রস্তুত কিছু অসাধু ব্যাক্তি। এরই ফলশ্রুতিতে সুঘাট ইউনিয়নের ফুলজোর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রত্যয়ন পত্র দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থী প্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
উক্ত বিদ্যালয়ের নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েকজন ছাত্র জানায়, আমাদের কাছ থেকে প্রধান শিক্ষক ১০০ টাকা নিয়ে প্রত্যয়ন পত্র দিয়েছে। টাকা না দিলে অনুদান পাওয়া যাবেনা বলে আমাদের কাছ থেকে এ টাকা নিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ফুলজোর উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরী মো. রাজু বলেন, প্রত্যয়ন পত্র নেয়ার কথা বলে কোন টাকা নেয়া হয়নি। তবে অনলাইনে আবেদন করার কথা বলে ১০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন বলেন, আমি কোনো টাকা নেইনি। অফিসের দপ্তরী রাজু কিছু টাকা নিয়েছে বলে আমার কাছে খবর এসেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজমুল হক বলেন, প্রত্যয়ন পত্র দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়ার কোন বিধান নেই। কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে থাকেন তাহলে ভুল করেছেন। এই সকল বিষয়ে অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
রাশেদুল হক/বার্তাবাজার/ভি.এস