যশোর জেনারেল হাসপাতালে শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে ‘আইসিইউ’

আগামী ৩ মাসের মধ্যে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চালু হচ্ছে আইসিইউ। বৃহস্পতিবার(৪ মার্চ) জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কমিটির সভাপতি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যরে উপস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায়।

তিনি বার্তা বাজারকে জানান, এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ আরো কয়েকটি সিদ্ধান্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে হাসপাতালে দায়িত্বরত কোনো স্বেচ্ছাসেবী কর্মচারী দালালীসহ যে কোনো অপরাধ করলে তাকে বরখাস্ত করা ও হাসপাতাল মসজিদ মার্কেট ও সাইকেল স্ট্যান্ডের অতিরিক্ত অর্থ জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ফান্ডে জমা দিতে হবে। পরে এই অর্থ সেবা কাজে ব্যবহার হবে। এ জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভায় উপস্থিত থাকাকালীন জানিয়েছে, আলোচনার শুরুতেই হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম নিয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রোজেক্টরের মাধ্যমে ভিডিও প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ। পরে বক্তব্য দেন যশোরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক হুসাইন শওকত, যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মহিদুর রহমান, যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রব্বানী, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালকের পক্ষে ডা. তোফাজ্জেল হোসেন, যশোর পৌরসভার কাউন্সিলর মোকছিমুল বারি অপু, পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী বিএম কামাল আহমেদ, যশোর মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম ফারুক, ডা. এএইচএম আব্দুর রউফ, এ্যানেসথেসিয়া বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাত, আহসান হাবিব, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের দপ্তর সম্পাদক এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন খোকন প্রমুখ।’

উপস্থিত সূত্রে আরও জানা যায়, পল্লী উনয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বক্তব্যে বলেছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে আইসিইউ চালু করার জন্য যা যা প্রয়োজন তা করতে হবে। চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে চিকিৎসক সেবিকাদের আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যার দায়িত্ব ঠিক তাকেই পালন নিশ্চিত করতে হবে। চাকরি ভাড়া দেয়ার মানসিকতা ঝেড়ে ফেলুন। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সভায় এক প্রশ্নের উত্তরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় জানান, হাসপাতালে জায়গা সংকটের কারণে এই মুহূর্তে মডেল ফার্মেসি তৈরি করা সম্ভব নয়। মাল্টিপারপাস সেন্টার ভবন নির্মাণের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি আরো জানান, হাসপাতালের সামনের অতিরিক্ত যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের ১ জন সদস্য ও পৌরসভার দুইজন কর্মীকে দায়িত্ব দেয়া হবে। তারা পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও হাসপাতালের উন্নয়নে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এ্যান্টনি দাস(অপু)/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর