মোদিকে বাংলাদেশে আসতে না দেয়ার ঘোষণা

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ আগমন যেকোনো মূল্যে ঠেকানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মশাল মিছিল পরবর্তী সমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও আটক ছাত্রনেতাদের মুক্তির দাবিতে মশাল মিছিল কর্মসূচির আয়োজন করে প্রগতিশীল ছাত্র জোট।

মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে শুরু হয়ে শামসুন্নাহার হল শাহবাগ প্রদক্ষিণ করে কাটাবন মোড় হয়ে টিএসসি এসে শেষ হয়।

মিছিল পরবর্তীল সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সভাপতি অনিক, ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা মহানগর সংসদের সাবেক সভাপতি জওহর লাল রায়, ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফেডারেশানের সভাপতি মাসুদ রানা।

সমাবেশ থেকে কমরেডদের মুক্তি এবং লেখক মুশতাকের হত্যার বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন এবং দুপুর বারোটায় রাজু ভাষ্কর্যে প্রতিবাদ সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সবাবেশে বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সভাপতি অনিক বলেন, এই তথাকথিত স্বাধীনতার মাসে গুজরাটের কসাই নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে আসছে। আমরা বাংলাদেশের জনগণ এবং আমাদের সহযোদ্ধাদের নিয়ে গুজরাটের কসাই, দক্ষিণ এশিয়ার শত্রু মোদিকে ঠেকাবো এবং তার এদেশীয় দালাল সরকার হাসিনাকে উৎখাত করবো। এর মাধ্যমেই কেবল আমরা আমাদের কমরেডদের মুক্ত করতে পারি এবং বাংলাদেশকে মুক্ত গণতান্ত্রিক সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয়, আজ সারা দেশ কারাগারে পরিণত হয়েছে। সতেরো কোটি সাধারণ মানুষ এই কারাগারে বন্দী জীবন যাপন করছে। বাংলাদেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। পুলিশি রাষ্ট্র এবং কারাগার ভাঙা ছাড়া এদেশের মানুষের মুক্তি আসবে না।

বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর