সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, শহীদ প্রেসিডন্ট জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ ও বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দেশের ছয় সিটিতে দলীয় মেয়র প্রার্থীদের নেতৃত্বে মহাসমাবেশের ডাক দেয় বিএনপি। আজ তারই অংশ হিসেবে খুলনাতে মহাসমাবেশের আয়োজন করেছে দলটি।
শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) খুলনা বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিএনপি। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমতি মেলেনি তাদের।
এ সমাবেশে সফল করতে ইতোমধ্যে ঢাকা থেকে খুলনা পৌঁছেছে বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির অন্যতম সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।
সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ইশরাকের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজের লাইভ থেকে দেখা যায়, তাকে ঘিরে দলীয় নেতা কর্মীরা বেশ আনন্দিত ও উচ্ছসিত। ইশরাক হোসেন সঙ্গে সেলফি তুলতে নেতা কর্মীরা হুমরি খেয়ে পড়েছে। এছাড়া দলীয় নেতা কর্মীদের তাকে ঘিরে স্বাগত স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ যেন প্রিয় নেতাকে কাছে পাওয়া। আসলে জনতা কার পাগল ইশরাক নাকি বিএনপির?
কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, যত বাধাই আসুক, বিএনপি সমাবেশ করবেই। অনুমতি না পেলেও গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে বিএনপি যেকোনো মূল্যে পূর্ব ঘোষিত সমাবেশ করবে। প্রেস ব্রিফিংয়ে নগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর এমন ঘোষণার পর ওই রাতেই খুলনা বাস মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতি শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা পরিবহন বন্ধের ঘোষণা দেন।

এর পরপরই নগর বিএনপির সভাপতি গণমাধ্যমকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সমাবেশ বানচাল করার জন্যই সরকার ও তার পুলিশ বাহিনীর মদদে পরিবহন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, যাতে সমাবেশে বিভিন্ন জেলা থেকে নেতা কর্মীরা খুলনা আসতে না পারেন।
যদিও দলটির এ মহাসমাবেশ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো অনুমতি নেই। নগরীর শিববাড়ি মোড়, হাদিস পার্ক, মহারাজ চত্বর ও ডাকবাংলো মোড়সহ বিকল্প চারটি স্থানের নাম দিয়ে একাধিকবার সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে প্রশাসন সমাবেশ অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়নি। কিন্তু বিএনপি এ সমাবেশ সফল করবে বলে বদ্ধ পরিকর এতে নগর জুড়ে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর প্রেক্ষিতে কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যলয়ের সামনে এবং নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম