সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা, মাদক, অসামাজিক কার্যকলাপসহ বিভিন্ন মামলায় ৮ জনকে আটক করেছে।
আটককৃতরা হলেন, ফেনসিডিলসহ দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর এলাকার নুর ইসলামের ছেলে গোলাম হোসেন (৩৫), চোলাই মদসহ শ্যামনগর উপজেলার ইসমাইলপুর এলাকার কওছার আলী গাজীর ছেলে আয়ূব আলী (৩৫), ধর্ষন চেষ্টা মামলায় কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী এলাকার ওয়াজেদ আলীর ছেলে নুর ইসলাম (৪৮), অসামাজিক কার্যকলাপসহ কালিগঞ্জের হিজলা এলাকার নবাব আলীর ছেলে আজগর আলী (৪৫) ও জনৈক মহিলা (৩০), এছাড়াও বিভিন্ন মামলায় আটক হয়েছে উপজেলার মাছ রাংগা গ্রামের মৃত বাতু গাজীর ছেলে বাকী গাতি, কালিকাপুর এলাকার ধলু মোড়লের ছেলে শাহিন ও নাটোয়ার বেড় এলাকার হাসেম মল্লিকের ছেলে ফারাক মল্লিক।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হুসেন জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারী উপজেলার সাতপুর এলাকার বাক প্রতিবন্ধী (৩৫) বছর বয়সী এক নারীর বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে পাশ্ববর্তী আমিয়ান এলাকার ওয়াজেদ আলী গাজীর ছেলে নুর ইসলাম ওই বাক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। প্রতিবন্ধী নারীর আর্তনাদে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে নুর ইসলাম ঘটনাস্থলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই প্রতিবন্ধী নারীর ভাই মামলা দায়ের করলে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক জামাল হোসেন অভিযান চালিয়ে আসামি নুর ইসলামকে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক তারেক রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা উপজেলার ঘোড়াপোতা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ ব্যবসায়ী গোলাম হোসেনকে আটক করা হয়। এরআগে বিকেল ৫ টার দিকে উপজেলার মৌতলা এলকায় সহকারী উপ-পরিদর্শক জুয়েল রানার নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ লিটার চোলাই মদসহ আয়ুব আলীকে আটক করে।
এছাড়াও মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার বাজারগ্রাম এলাকায় অসামাজিক অবস্থায় দু’জন কপোত কপোতীকে আটক করে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আজগর আলী ও জনৈক মহিলাকে আটক করে। একই রাতে বিভিন্ন মামলার আসামি বাকী গাতি, শাহিন ও ফারাক মল্লিককে আটক করা হয়।
আসামিদেরকে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ/বার্তাবাজার/পি