মিয়ানমারের কারাগারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরেছে ২৪ জন বাংলাদেশী নাগরিক। এদের মধ্যে টেকনাফের ১২ জন, রাঙ্গামাটির ৮ জন, বান্দরবানের ৩ জন ও রাজশাহীর ১জন।
মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিজিবির ব্যবস্থাপনায় টেকনাফ জেটি ঘাট দিয়ে তাদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল ফয়সাল হাসান খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সকাল সাড়ে ৯টায় মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মন্ডু ১নং ট্রানজিট-এক্সিট পয়েন্টে ৯ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ও ৭ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল ফয়সল হাসান খান (বিজিবিএম,পিএসসি) এবং মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ৪নং বর্ডার গার্ড মিয়ানমার পুলিশ ব্র্যাঞ্চের কমান্ডিং অফিসার পুলিশ লেঃ কর্ণেল জ্য লিং অং। বৈটক শেষে ২৪ জন বাংলাদেশী নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফেরত আনা বাংলাদেশী নাগরিকরা হলেন- রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী থানার ধুবুয়া লামারপাড়ার চাইরুই মারমার ছেলে পাইসেহ্লা, টুইকাহার ওরফে সানসুর ছেলে মং চিং মামরা, কুলার পাড়ার থৈইনু ওরফে থৈইনুর ছেলে থৈঅংরী মারমা, টেকনাফের হোয়াইক্যং উত্তর পাড়ার মো. গিয়াস উদ্দিনের ছেলে জুনায়েদ, বান্দরবানের কুহালংয়ের ক্যচিং মং এর ছেলে চাই চাই প্রু মারমা, হ্নীলা দমদমিয়ার করিমুল্লাহর ছেলে রহমত উল্লাহ, শাহপরীর দ্বীপ উত্তর পাড়ার লাল মিয়ার ছেলে এনায়েত উল্লাহ, শাহপরীর দ্বীপের আবদুর শুক্কুর (মিজ্জি)’র ছেলে মোহাম্মদ আয়াছ, উত্তর পাড়ার মৃত জালাল আহমদের পুত্র সিরাজুল্লাহ, উলুবনিয়ার আব্দুল জলিলের ছেলে রুবেল, নাইথ্যং পাড়ার মোহাম্মদ শরীফের ছেলে মো. উল্লাহ, বড়ই তলীর আমানুল্লাহর ছেলে মো. ছলিম, বান্দরবানের কুহালংয়ের জহির আহমদের ছেলে মো. সাদেক, হোয়াইক্যং লম্বাবিলের মো. ইসমাঈলের পুত্র আব্দুল কাদের, একই গ্রামের জকির আহমদের ছেলে অলি আহমেদ, রাজশাহী পুটিয়া থানার মধুখালী গ্রামের দমদমিয়ার ইয়াসিনের ছেলে মো. ছবুর, হ্নীলা জাদিমোরার মো. হোসাইনের ছেলে ইমান হোসাইন, বান্দরবান কুহালংয়ের উথেইসেনের ছেলে পুকুয়েটসে, রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী থানার পূর্ব সোনাইছড়ির চাইথৈয়াইউ মারমার মেয়ে মিস অঞ্জনা মারমা, উচিংনু মারমার ছেলে আগ্রা মারমা, একই থানার পশ্চিম মোনাইপাড়ার থৈসামং মারমার ছেলে কংচিংউ মারমা, দোছরী পাড়ার উশোপ্রু মারমার ছেলে সাথোয়াইমং মারমা, পাওপাড়ার মংসা মারমার ছেলে থৈয়াইপ্রু অং মারমা ও টেকনাফ আলী পাড়ার মৃত মীর আহমেদের ছেলে নুরুল আলম।
ফেরত আসা সাজাভোগকারী নাগরিকদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সমন্বয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে।
বার্তাবাজার/পি