কলাপাড়ায় তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী’র অত্যাচারে অতিষ্ঠ পরিবারসহ এলাকাবাসী
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দড়িয়াপুর গ্রামের মো. কুদ্দুস হাওলাদারের ছোট ভাই ফেরদৌস হাওলাদারের তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী রিনা বেগমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পরিবারসহ এলাকাবাসী। ছোট ভাইয়ের তালাক দেয়া স্ত্রী রিনা বেগমের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন বড় ভাই মো. কুদ্দুস হাওলাদার।
একাধীক মামলা কাধে নিয়ে একটার পর একটা অঘটন ঘটিয়েই চলছে রিনা বেগম। এমন অভিযোগ কুদ্দুসের পরিবারসহ এলাকাবাসীর। অভিযোগকারী কুদ্দুসের ছোট ভাইয়ের তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী রিনা বেগম দফায় দফায় হামলা চালিয়ে ৪৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং বাড়ি ঘড় কুপিয়ে তছনছ করেছে।
ছোট ভাইয়ের তালাক দেয়া স্ত্রী’র নানা ধরনের কর্মকান্ডে এখন ঐ পরিবারসহ এলাকাটি একটি বিপদগামী এলাকা হিসেবে রুপ নিয়েছে। রাস্তা ঘাটে তিনি বেপরোয়াভাবে কয়েক জনকে ফাঁদে ফেলে নাস্তানোবুত করছেন এমন অভিযোগও রয়েছে।
ঐ এলাকার লোকজন বার্তা বাজারকে জানান, রিনা বেগম একজন ডানপিটে মহিলা তার অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গেলে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ নানা অশ্লিল মন্তাব্য থেকে রেহাই পাওয়া মুশকিল।
ঐ এলাকার ভুক্তভোগী আবুল বশার মুন্সী, মোঃ ইদ্রীস, সাবের আহমেদ খান, সিদ্দিক ফরাজীসহ একাধীক গ্রামবাসী বার্তা বাজারকে জানান, ওই মহিলা দুই তিন দিন পর পর আমাদের এলাকায় আসে এবং এলাকার পরিবেশ ঘোলাটে করে ফেলে। আমরা এলাকাবাসী অভিযুক্ত মহিলার বেপরোয়া চলাফেরা থেকে মুক্তিচাই।
এ বিষয়ে অভিযোগ কারী মোঃ কুদ্দুস বার্তা বাজারকে জানান, আমার ছোট ভাই মো. ফেরদৌসের সাথে অনেক বছর আগে রিনা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু রিনা বেগমের আচার-আচরন ও বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের কারনে ২০১২ সালে তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।
তারপর থেকেই ঐ মহিলার অত্যাচার হতে রেহাই পেতে আমার ভাই স্থানান্তরিত হয়ে ঢাকায় অবস্থান করছে। নানা অপকর্মের কারনে ভাইয়ের সাথে ওই রিনা বেগমের একাধীক মামলা কোর্টে চলমান রয়েছে কিন্তু রিনা বেগম নানা অযুহাত দিয়ে দুই তিন দিন পরপর আমার বাড়ি আসে এবং অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে।
তিনি বার্তা বাজারকে আরো জানান, সর্বশেষ গত রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) আমি আমার পরিবারসহ কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যাই, এ খবর পেয়ে রিনা বেগম আমার বাসায় গিয়ে বাসা তালাবদ্ধ থাকায় বাসার জানালা ভাঙ্গে ও ঘড়ের বেড়া কুপিয়ে তছনছ করে ফেলে। এবং ঘড়ে প্রবেশ করে আমার ঘরে থাকা জমি লাগানো বাবদ ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ঘরের ভাত ও তরকারি ফেলে সব কিছু এলোমেলো করে ফেলে। আমি এই অভিযুক্ত রিনা বেগমের হাত থেকে মুক্তি চাই।
এবিষয়ে অভিযুক্ত রিনা বেগমের সাথে কথা হলে তিনি বার্তা বাজারকে জানান, আমি তাদের বাড়িতে গেলে আমাকে মারধর করে আমি তার বিচার চাই।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বার্তা বাজারকে জানান, এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আহম্মেদ পাশা তানভীর/বার্তাবাজার/হৃ.আর