যশোরের শার্শা উপজেলার জিরেন গাছা গ্রামে রাতের আঁধারে মাটি কেটে বিক্রি করছে সংঘবদ্ধ একটি ক্ষমতাশীল জমি চোরের দল।প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত গভীর করে রাতের আঁধারে মাটি কেটে ইটভাটা মালিকদের কাছে বিক্রি করে ফয়দা লুটছে প্রভাবশালী পাঁচ জনের এই দলটি।
অবৈধ ভাবে যেখানে সেখানে এক্সেভেটর দিয়ে মাটি কাটার ফলে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে ভূমি। অবৈধভাবে মাটি কেটে পুকুর খনন করে ভাটায় বিক্রি করছে ভূমি প্রভাবশালী ভুমিচোরেরা।
সরেজমিনে জিরেনগাছা গ্রামে গিয়ে জানা যায়, ঐ এলাকার মৃত্যু আব্দুর ছাত্তার মোল্লার ছেলে রবি আমিনসহ মোট পাঁচ জন ভূমি দস্যু মিলে অবৈধভাবে মাটি কেটে পুকুর খনন করে মাটি বিভিন্ন ভাটায় বিক্রি করে টাকা চোরাই পন্থি রোজগারের পথ বেছে নিয়েছে।
বিরতিহীন ভাবে তারা এক সপ্তাহ ধরে মাটি কাটা ও বিক্রয়ের কাজ করে যাচ্ছে। অপরদিকে গ্রামীন কাঁচা ও পাকা রাস্তা গুলো চুরি করা মাটি বহনের সময় কাঁদা ছিটিয়ে পড়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচলে চরম ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে। কখনো কখনো দুই চাকার বাহন পিছলে গুরুতর আহত হয় এই রাস্তায় কাদা মাটির কারনে।
এলাকাবাসীরা বলেন, আমরা তাদের রাস্তার এই অবস্থার কথা বললে তারা পাত্তা দেয় না। রাস্তায় কাঁদা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার কারনে আমাদেরকে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মাটি চোরেরা প্রভাবশালী হওয়াতে আমাদের নালিশ করার কোন জায়গা নেই।
কন্ট্রাক্টর ইমানুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বার্তা বাজারকে বলেন, মাটি আমি একা কাটছি না আমার সাথে জিরেন গাছার তোতাও রয়েছে।
এবিষয়ে বার্তা বাজাররে প্রতিনিধি তথ্য সংগ্রহে গেলে জমির মালিক রবি ও আমিন মোল্লা উত্তেজিত হয়ে বলেন, এটা আমাদের জমি আমরা কাটবো তাতে কার কি করার আছে করুক।
শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসনা শারমিন মিথি বার্তা বাজারকে বলেন, মাটি কেটে বিক্রি করা সম্পূর্ণ আইন পরিপন্থী কাজ। অবৈধভাবে যে বা যাহারা মাটি কেটে বিক্রি করবে তাদেরকে আইনের মাধ্যমে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ্যান্টনি দাস/বার্তাবাজার/হৃ.আর