মানব ও অর্থপাচারের মামলায় কুয়েতের কারাগারে থাকা লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাংসদ কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের বিষয়ে ২-৩ দিন সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান।
সংসদ সচিবালয়ে এমপি পাপুলের বিষয়ে কুয়েতের আদালতের কপি পৌছার পর শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য জানিয়েছেন সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান।
তিনি বলেন, শহীদ ইসলামের সংসদ সদস্যপদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রক্রিয়াটি শেষ হতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে।
সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে কিনা এই বিষয়ে তিনি জানান, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে একজন সংসদ সদস্যকে অযোগ্য ঘোষণার অনেকগুলো বিধান আছে। কোনো ব্যক্তি যদি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং মুক্তি পাওয়ার পর পাঁচ বছর সময় পার না হয়, তবে তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার কিংবা সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না।
তিনি আরও বলেন, যেহেতু তার (শহীদ ইসলাম) চার বছরের কারাদণ্ড হয়েছে, সংসদ এর আলোকেই সিদ্ধান্ত নেবে। একই অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট এমপির সদস্যপদ খালি নিয়ে যেকোনো বিরোধের ক্ষেত্রে তা শুনানি ও নির্ধারণের জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে এবং এ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার সংবিধান ও সংসদের কার্যবিধির সঙ্গে মিল রেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
বার্তাবাজার/এসজে