নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ও নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক সফল প্রতিমন্ত্রী, প্রবীণ রাজনীতিবিদ বীর-মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত টিকাদান কেন্দ্রে তিনি করোনার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন।
এসময় সাংসদ আব্দুল কুদ্দুস দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের মানুষের জন্য কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রম যত দ্রুত সফলভাবে সম্পন্ন হবে ততই দ্রুত আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারব ইনশাহ্ আল্লাহ্। সকলকে এই কার্যক্রম সফল করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
সাংসদ আরও বলেন, বাংলাদেশে শুধুমাত্র ন্যাশনাল আইডি হাতে নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে গেলে রেজিষ্ট্রেশনসহ ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, যেখানে উন্নত দেশগুলোতে রেজিষ্ট্রেশন করে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পরিচিত কেউ কেউ অবশ্য সিরাম ইন্সটিউটে তৈরি হয়েছে কাজেই এটি ভারতীয় ভ্যাকসিন বলে সন্দেহ করছেন। কিন্তু উনারা জানেন না যে শুধু নিজেরা নয়, অতি আদরের সন্তানদের জন্মের পর থেকে যত ভ্যাকসিন দিচ্ছেন তার অধিকাংশই সিরাম ইনস্টিউট বাজারজাত করছে।
সাংসদ জানান, ভ্যাকসিন গ্রহনের জায়গায় সামান্য ব্যথা ছাড়া অন্য কোন পার্শ্ব প্রতিক্রয়া এখন পর্যন্ত বুঝতে পারি নাই এখনও দিব্যি সুস্থ আছি। আর এটি কোন বিবেচনায়ই ভারতীয় ভ্যাকসিন নয়, এটি ডঃ সারাহ গিলবার্ট আবিষ্কৃত ‘অস্ট্রাজেনেকা’ ভ্যাকসিন। তাই আর কোন সংশয় নয়, অবিশ্বাস নয়, আসুন রেজিষ্ট্রেশন করে ভ্যাকসিন গ্রহন করি, করোনাকে পরাজিত করি। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার থেকে দুরে থাকুন। আমি ভ্যাকসিন নিয়েছি, কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। আসুন পর্যায়ক্রমে আমরা সকলেই টিকা গ্রহণ করি। এতে আমরা সবাই মিলে ভালো থাকবো।
এর আগে করোনার টিকা নিতে জনসাধারণকে উৎসাহিত করার জন্য সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস তার নির্বাচনী এলাকা গুরুদাসপুর উপজেলার ৪০ জনকে ৫০০টাকা এবং বড়াইগ্রাম উপজেলার ১২৭জনকে এক’শ টাকার প্রাইজবন্ড উপহার দেন।
সাকলাইন শুভ/বার্তাবাজার/পি