চরফ্যাসনে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার

ভাষা আন্দোলনের ৬৯ বছরেও চরফ্যাসনে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেই শহীদ মিনার। চরফ্যাসন উপজেলায় সব মিলিয়ে রয়েছে ৩৭০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তার মধ্যে ৩৪৯টি প্রতিষ্ঠানে শহীত মিনার নেই। তাই হয়না এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একুশে ফেব্রুয়ারির কোন আয়োজন।

যদিও সরকারি আদেশ অনুযায়ী প্রতিটি শিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা বাধ্যতামূলক। এতে করে শিক্ষার্থীরা জানতে পারছে না ভাষার সঠিক তাৎপর্য, জানাতে পারছে না ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।

উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ২১৩টি, মাধ্যমিক ও নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৭৭টি, কলেজ রয়েছে ১২টি ও মাদ্রাসা রয়েছে ৬৮টি।

সরেজমিনে দেখা যায়, এর মধ্যে চরফ্যাসন সরকারি অনার্স জলেজ, চরফ্যাসন টিবি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বেগম রহিমা ইসলাম ডিগ্রি অনার্স কলেজ, চরফ্যাসনে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুলারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আঞ্জুর হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ আরো ১৫টি প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শহীদ মিনার রয়েছে। বাকি ৩৪৯টি প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই।

উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় তারা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও সম্মান জানাতে পারছেনা। তারা সরকারের কাছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মানের জোর দাবী জানান।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার না থাকায় যথাযথ ভাবে ভাষা শহীদরে প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারছেনা শিক্ষার্থীরা। এই ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন জানান, এই বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃৃপক্ষের সাথে আলাপ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নির্দেশান দেওয়া হবে।

আরিফ হোসেন/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর