কোম্পানীগঞ্জ থানা ঘেরাও করলেন মির্জা কাদের

নোয়াখালীর ডিসি, এসপি, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি ও ওসি তদন্তের প্রত্যাহার এবং কোম্পানীগঞ্জ চরকাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজকে গ্রেফতারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেছেন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৮টার দিকে তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানা ঘেরাও করেন। এ রিপোর্ট লেখা (রাত ১০টা) পর্যন্ত অবরোধ চলছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৮টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ চরকাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজ টেকের বাজারে তার কিছু অনুসারীদের নিয়ে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। এতে তিনি মেয়র কাদের মির্জার বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন।

খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুল ইসলাম সবুজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাকে (সবুজ) পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে এমন খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে কাদের মির্জা নিজেই থানা ঘেরাও করে থানার প্রধান ফটক অবরোধ করে রেখেছেন।

আবদুল কাদের মির্জার দাবি, দায়িত্বে অবহেলার জন্য নোয়াখালীর ডিসি খুরশেদ আলম খান, এসপি মো. আলমগীর, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি ও ওসি তদন্ত মো. রবিউল হকের প্রত্যাহার ও কোম্পানীগঞ্জ চরকাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজ ও তার আশ্রয়দাতা মিজানুর রহমান বাদল ও ফখরুল ইসলাম রাহাতকে গ্রেফতার করা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনির বক্তব্য নিতে বারবার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করার পরও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) হরতালের ডাক দিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ।

বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির/বার্তাবাজার/হৃ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর