বগুড়া সোনাতলায় উৎসবমুখর পরিবেশে ফাগুন মাসে অনুষ্ঠিত হয় মেলা। প্রতিবছর ইজারার দরপত্র মাধ্যমে উপজেলার ৪টি মেলা থেকে প্রায় ৫০হাজার টাকা রাজস্ব পায় সরকার। কিন্তু এবছর কোনো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দরপত্র ছাড়া মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বুধবার (১৭ই ফেব্রুয়ারি)।
মেলা কমিটি গঠন করে উপজেলার চড়পাড়া সন্যাসি মেলা ২০.২৪৬ টাকা, পাকুল্লা মেলা ৩.১৮০টাকা, কাচারী মেলা ৬.৯৭৬ টাকা ও হরিখালী মেলা ১০.৬০০ টাকার দরে লিখিত ভাবে অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। প্রতিবছর ইজারা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মেলা হলেও এবারের এ মেলায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ছাড়া মেলার ঘোষনা হয়। ফলে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
সোনাতলা উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. মিনহাদুজ্জামান লীটন বার্তা বাজারকে বলেন, এ বিষয়টি আমার সম্পুর্ন অজানা, বিজ্ঞপ্তি ছাড়া মেলার ইজারা (ডাক) কিভাবে হয় আমার জানা নেই। আর মেলার দরপত্রের বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এটি একমাত্র উপজেলা প্রশাসনের দ্বায়িত্বে।
এদিকে উপজেলার নির্বাহী অফিসারের স্বাক্ষরিত মেলা কমিটির ইজারাদারের নামবিহীন কাগজে উপজেলার ৪ স্থানের মেলা ঘোষনা করেন।
ইজারার বিষয়টি নিয়ে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসিম কুমার জৈন নতুনের সাথে কথা বললে তিনি বার্তা বাজারকে জানান, যেহেতু হরিখালী মেলাটি হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বরসতি পূজা উপলক্ষে একটি কমিটি গঠন করে রাজেন্দ্র প্রসাদকে সভাপতি করে মেলাটি হতে যাচ্ছে। ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তির কথা বললে তিনি বার্তা বাজারকে বলেন, এটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিনের সাথে কথা বললে তিনি বার্তা বাজারকে বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে এটি স্বরসতী পুজা উপলক্ষে সিমিত আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই মেলা গুলোর ইজারা সম্পর্কে তিনি অবগত নন।
প্রতিবছর ইজারায় সাধারন জনগন উপস্থিতিতে ইজারার ডাক হতো মেলা গুলোর। কিন্তু সম্প্রতি এই মেলার কোনো ধরনের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়া গোপনে ইজারা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
মিনহাজুল বারী/বার্তাবাজার/হৃ.আর