খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া মহাসড়কে যাত্রীদের আরেক আতঙ্কের নাম গাড়াই এবং রুপসা পরিবহন।
দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে নামকরা দ্রুতগতীর বাস অপারেটর নামে পরিচিত এই গড়াই রুপসা পরিবহন। খুলনা থেকে কুষ্টিয়া রুটে গড়াই এবং রুপসা এক্সপ্রেস পরিবহনে টাইম(সময়সীমা) বেধে দেবার কারনেই বেপরোয়া গতীতে চলে এই দুটি অপারেটরের বাস।
আতঙ্ক,ভয় হলেও সময় বাঁচাবার জন্য এবং কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে গড়াই পরিবহনে যাত্রা করতেও পিছুপা হয়না যাত্রীরা। জীবনের ঝুকি জেনে উঠে পড়ে এই দ্রুতগামী বাসে। আর কখনো কখনো সড়ক দুর্ঘটনায় চলে যেতে হয় না ফেরার দেশে।
সম্প্রতি যশোর ঝিনাইদহ মহাসড়কে গাড়াই পরিবহনের একটি বাস দূর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হয় যার ৫ জন ছিলো মাস্টার্স পরীক্ষার্থী।
শুধু এই নয় হাজার হাজার ছোট বড় দূর্ঘটনার শিরোনামে রয়েছে এই বেপরোয়া বাস গড়াই এবং রুপসা পরিবহনের নাম।
এই সড়কে দূর্ঘটনা নিরাসে তৎপর ট্রাফিক পুলিশ প্রশাসন। তবুও মাথাচাড়া দেয় না বাস অপারেটর মালিক কতৃপক্ষ।
ট্রাফিক চেকপোস্টেও অনেকবার বেপরোয়া গতির কারনে গুনতে হয়েছে এ পরিবহন চালক কতৃপক্ষের জরিমানা। ভ্রাম্যমাণ আদালতেও বেপরোয়া গতির কারনে করা হয়েছে অর্থদন্ড।
গড়াই এবং রুপসা পরিবহনের কতৃপক্ষের সাথে এ ব্যাপারে ফোনে কথা বলার জন্য চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয় প্রতিবেদক।
সড়কে গড়াই পরিবহন চলাচল নিয়ে নানা অভিযোগ থাকলেও কেন বন্ধ হচ্ছে না এই গড়াই রুপসা পরিবহন এই বিষয়ে নানা কৌতুহল এই সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের।
এ্যান্টনি দাস(অপু)/বার্তাবাজার/পি