প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৪০৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২৯৬ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৭ রানে অলআউট হয়ে যায় উইন্ডিজরা।
যার ফলে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৩১ রান। ২৩১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২১৩ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। ১৭ রানে হেরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে টাইগাররা।
শেষের দিকে দলকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন মিরাজ। সতর্কতার সাথে রানের গতি বাড়িয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ৫৬ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে ২২ রান করে ওয়ারিকেনের বলে কর্নওয়ালের হাতে ধরা পড়ে ফিরেন মিরাজ। এতেই জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয় বাংলাদেশের।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। ১০ ওভারে তাদের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৫ রান।
তবে দলীয় ৫৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ দল। ৩৪ বলে ১ চারে ১৩ রান করে ব্র্যাথওয়েটের বলে কর্নওয়ালের হাতে ধরা পড়ে ফিরেন সৌম্য। অন্যদিকে ৪৪ বলে ৯ চারে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তামিম।
কিন্তু হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়ে এক বল খেলে পরের বলেই সাঝঘরে ফিরেন তিনি। মোসলেকে ক্যাচ দিয়ে ব্র্যাথওয়েটের দ্বিতীয় শিকার হন তামিম। স্কোরকার্ডে ৮ রান যোগ হতেই আরও একটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
১১ রান করে কর্নওয়ালের বলে মোসলের হাতে তালুবন্দি হয়ে ফিরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে ৪ রান করেছিলেন তিনি। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হয়েছেন মুশফিকুর রহিমও।
১৪ রান করে ওয়ারিকেনের বলে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন মুশফিক। কিন্তু রিভিউটা নষ্ট হয়েছে। রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায় বল মুশফিকের ব্যাটে লেগে উইকেটের পেছনে যায়।
কর্নওয়ালের বলে ছক্কা মেরে শুরুটা করেছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। এক ওভার পর কর্নওয়ালের বলেই সাঝঘরে ফিরেন তিনি। ১২ বলে ১০ রান করে স্লিপে বোনারের হাতে তালুবন্দি হয়ে ফিরেন তিনি।
বড় ইনিংসের ইঙ্গিত দিয়ে ফিরেন অধিনায়ক মুমিনুল হকও। ওয়ারিকেনের বলে কর্নওয়ালের হাতে ধরা পড়ে ৬৮ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৬ রান করে ফিরেন তিনি। পরের উইকেটটিও শিকার করেন কর্নওয়ালের। এবার কর্নওয়ালের শিকার তাইজুল। ২৫ বলে ৮ রান করে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ফিরেন তিনি।
এরপর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাঈম হাসান। কিন্তু তাদের প্রতিরোধ গড়তে দেননি ব্র্যাথওয়েট। লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে নাঈমকে ফেরান তিনি। ১৪ রান করে ফিরেন নাঈম। এরপর মিরাজের বিদায়ে হারের মুখ দেখতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
বার্তাবাজার/এস.জি