লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভা নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে ধানের শীষ ও লাঙল প্রতীকের প্রার্থী সহ ৪ জন মেয়র প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন।
রোববার দুপুরের দিকে পৃথক পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে রামগতি পৌরসভা নির্বাচনে এজেন্টদের মারধর ও কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ এনে ধানের শীষের প্রার্থী সাহেদ আলী পটু ও লাঙল প্রতীকের প্রার্থী আলমগীর হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবি আব্দুল্লাহ ও জামাল উদ্দীন ভোট বর্জন করেছেন।
জাতীয় পাটির প্রার্থী আলমগীর হোসেন বলেন,আমার এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। মারধর করা হয়েছে। নৌকায় ভোট দিতে আওয়ামীলীগের নেতারা ভোটারদের বাধ্য করছেন। এনির্বাচনে থাকার প্রয়োজন নেই। আমি ভোট বর্জন করেছি।
বিএনপির প্রার্থী সাহেদ আলী বলেন, ইভিএম আওয়ামীলীগ নেতাদের দখলে। তারা ভোটারদের নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করছেন। প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা না দেখার ভান করছেন।আমি এজন্য ভোট বর্জন করেছি।
স্বতন্ত্র প্রাার্থী আবি আব্দুল্লাহ বলেন এই সরকারের অধিনে ভোটে যাওয়াটাই আমার সব চেয়ে বড় বোকামী হয়েছে। নির্বাচনের নামে একটা নাটক তৈরী করা হয়েছে রামগতিতে।
রামগতি পৌরসভা নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী হেকমত আলী বলেন, ভোট বর্জনের বিষয়টি আমি জানি না। কালো পর্দার বাইরে ইভিএম থাকার কথা নয়। কোথাও ছিল কিনা তা কেউ আমাকে জানায়নি। যিনি নিয়ম ভঙ্গ করবেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ্য রামগতি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ ও সাধারণ কাউন্সিলর ও নারী সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৪৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। নানা অনিয়মের অভিযোগ এরে মেয়র পদে ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৪ জন প্রার্থী ভোট বর্জন করেন।
বার্তাবাজার/পি