ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৪০৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৭১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ দল। শেষ সেশনে মুশফিকুর রহিম-মোহাম্মদ মিঠুনের মন্থর ব্যাটিংয়ে রক্ষা পায় টাইগাররা।
কিন্তু তৃতীয় দিনের শুরুতে বিদায় নেই এই দুইজন। ৬১ বলে ৬ রান দিয়ে দিন শুরু করা মিঠুন রাকিম কর্নওয়ালের বলে ব্র্যাথওয়েটকে ক্যাচ দিয়ে ১৫ রান করে ফিরেন। অন্যদিকে মুশফিক ৫৪ রান করে মায়ার্সের হাতে ধরা পড়ে কর্নওয়ালের তৃতীয় শিকার হন।
তাদের বিদায়ের পর ফলো-অনের শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ দল। তবে সেখানেই প্রতিরোধ গড়েন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দলের বিপর্যয়ের সময় হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তারা।
বোনারকে চার মেরে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লিটন। এছাড়াও তিনি টেস্টে এক হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। অন্যদিকে ১১২ বলে ৬ চারে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মিরাজ। ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭২ রান সংগ্রহ করে চা বিরতিতে যায় বাংলাদেশ দল।
চার বিরতির পর মাঠে নেমে তিন উইকেট হারিয়ে বসে টাইগাররা। ৩ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দুর্দান্ত খেলতে থাকা লিটন ৭১ রান করে ব্ল্যাকউডকে ক্যাচ দিয়ে কর্নওয়ালের চতুর্থ শিকার হন। অন্যদিকে রানের খাতা না খুলে ব্ল্যাকউডের হাতে ধরা পড়ে কর্নওয়ালের পঞ্চম শিকার হন নাঈম।
নাঈমের বিদায়ের পর সাঝঘরে ফিরেন মিরাজও। ৫৭ রান করে গ্যাব্রিয়েলের বলে ব্র্যাথওয়েটের হাতে তালুবন্দি হয়ে ফিরেন তিনি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রান।
বার্তাবাজার/এস.জি