রংপুরের পালিচড়া এমএন উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে অপহরণের ৯দিন হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ। তাই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।
রংপুর সদর কোতয়ালি থানা সুত্রে ও অপহৃত ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগে জানা যায়, ঘটনার দিন গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১০/১১টার সময় রংপুর সদর উপজেলাধীন সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়নের পালিচড়া এমএন উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ও নয়াপুকুর কলেজ বাজার এলাকার সফিউল আলম এর মেয়ে মোছাঃ শান্তা ইসলাম-১৩ (ছদ্মনাম) কে পার্শ্ববর্তী ফাজিলখা গ্রামের মোঃ আশরাফুল ইমলামের বখাটে ছেলে মোঃ রাহিম মিয়া (২৫), রাহিমের বন্ধু আঃ বাতেন কাজীর ছেলে পলাশ মিয়া ও আজিজুল ইসলামের ছেলে মোঃ রেজাউল মাস্টারের সহযোগীতায় অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন সু-কৌশলে ডেকে অপহরন করে নিয়ে যায়।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর মেয়েকে উদ্ধারে রংপুর সদর কোতয়ালী থানায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে ৬ জনকে বিবাদী করে একটি এজাহার দায়ের করেন। যার তদন্তভার দেয়া হয়েছে এসআই জাহাঙ্গীর আলমকে। কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত তদন্ত করে চললেও অপহৃত অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পারেনি। এমনকি অপহরনের মূল মাস্টারমাইন্ড বখাটে রাহিম ও তার সহযোগীদেরও আটক করতে পারেনি কোতয়ালী থানা পুলিশ।
মেয়েকে উদ্ধার করতে না পেরে হতাশা ব্যক্ত করে ভুক্তভোগী ও অসহায় বাবা সফিউল আলম বার্তা বাজারকে জানান, অভিযুক্ত রাহিম, রেজাউল মাস্টার ও পলাশ মিয়াসহ রাহিমের বাবা ও মাকে আটক করলে আমার মেয়েটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আমার বিশ্বাস।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমকে এ বিষয়ে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেনি।
তবে রংপুর সদর কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান বার্তা বাজারকে জানান, স্কুলছাত্রীকে অপহরনের বিষয়টি নিয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। আমরা নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং তদন্ত অব্যহত আছে। মামলাটি এজাহারভুক্ত করা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
রকি আহমেদ/বার্তাবাজার/হৃ.আর