বগুড়ার শেরপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই করে ৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটি। এবং ২ জন দ্বিধাবিভক্তির তালিকায় রয়েছেন। স্বাক্ষী হাজির করতে না পাড়ায় এবং দুই উপজেলায় গেজেটভুক্ত হওয়ায় তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।
জানা যায়, সারা দেশের ন্যায় শেরপুর উপজেলাতেও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত করণের লক্ষে বেসামরিক গেজেটভুক্ত ৯৪ জন মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই অুনষ্ঠিত হয়।
যাচাই বাছাই শেষে খানপুর ইউনিয়নের ভীমজানি গ্রামের মৃত মালেক উদ্দিনের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. গোলাম রব্বানী (গেজেট নং ১৮৮৩), খাগা গ্রামের মৃত রহিমুদ্দিনের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম (গেজেট নং ২৫১৫), মির্জাপুর ইউনিয়নের আন্দিকুমড়া গ্রামের মৃত কাদের আলীর ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত নুরুল হক (গেজেট নং ২৫২১), কুসুম্বী ইউনিয়নের উচুল বাড়িয়া গ্রামের মৃত লাল মাহমুদ মন্ডলের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আজাহার আলী (গেজেট নং ২৫৩৯), শাহবন্দেগী ইউনিয়নের হামছায়াপুর গ্রামের মৃত হরমজ আলীর ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন তোতা (গেজেট নং ২৫১৯), খন্দকার টোলা গ্রামের মৃত আঃ রহমানের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মোফাজ্জল হোসেন (গেজেট নং ২৫২০), ধড়মোকাম গ্রামের মৃত ইসমাঈল হোসেনের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আনার আলী (গেজেট নং ১৮৮৫), শেরপুর পৌর শহরের টাউন কলোনী এলাকার মৃত সবরতুল্ল্যাহর ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা তোজাম্মেল হক (গেজেট নং ২৫৩২), নয়াপাড়া এলাকার মৃত শাবাজ আকন্দের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহা আলী (গেজেট নং ২৫৩০) কে বাদ দিয়েছেন যাচাই বাছাই কমিটি।
এছাড়াও বিশালপুর ইউনিয়নের হাসাগাড়ি গ্রামের মৃত রসিক লাল মন্ডলের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল চন্দ্র মন্ডল (গেজেট নং ১৮০৫) ও পৌর শহরের ঘোষপাড়া এলাকার মৃত বন বিহারীর ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা তরনী কান্ত বারড়ী (গেজেট নং ১৮৬০) কে দ্বিধাবিভক্তির তালিকায় রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ বলেন, যে ৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে কেউ কেউ দুই উপজেলার গেজেটধারী এবং উপযুক্ত স্বাক্ষী হাজির করতে পারেনি। এবং
দিধাবিভক্তি দুই জনের পক্ষে কেউ সুস্পষ্ট প্রমান দিতে পারেনি।
রাশেদুল হক/বার্তাবাজার/এসজে