মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের কােমরপুর গ্রামের মুছা করিম (৮০) নামের এক বৃদ্ধ নিজের বসতভিটা নাতির নামে লিখে দিয়েছেন। পরে ওই বসতভিটায় ঠাঁই না পেয়ে অবশেষে বিষের বােতল হাতে নিয়ে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কাছে আত্মহত্যার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। এসময় তার আরেক সন্তানের শিশু পত্রকেও বিষের বোতল হাতে নিয়ে বৃদ্ধ দাদা মুছা করিমের সাথে লক্ষ্য করা গেছে। তবে জেলা প্রশাসক ড.মুনসুর আলম খান বসতবাড়ি মুছা করিমকে বসবাস করার ব্যবস্থা করা হবে এমন আশ্বাস দিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের এমন আশ্বাসে বৃদ্ধ মুছা করিম গ্রামে ফিরেছেন।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিষের বােতল ও আত্মহত্যার আবেদন পত্র নিয়ে বৃদ্ধ মুছা করিম ও তার বড় ছেলের শিশুপত্র হাজির হয়েছিলেন।
বৃদ্ধ মুছা করিম জানান,আমার সম্পত্তি অংশ মােতাবেক স্ত্রী,সন্তান ও নাতিদের নামে রেজিষ্ট্রি করে দিই। বর্তমান আমার বসতভিটার জমিটি বড় ছেলের শিশু পুত্র আকাশ হােসেনের নামে রেজিষ্টি করে দিই। যার কারণে আমার বড় ছেলের প্রথম স্ত্রী আসমা খাতুন, তার দু’ছেলে রিপন হােসেন ও ফারুক আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে গ্রামের মাতব্বরদের কাছে বিচার চেয়ে কোনো বিচার না পেয়ে ডিসি স্যারের কাছে বাড়িতে ঠাঁই পাওয়ার জন্য আবেদন করেছি। ডিসি স্যার বাড়িতে যদি ঠাঁই করে না দেয়। তবে আত্মহত্যার যেনো অনুমতি দেন। সেজন্য আবেদন করেছি।
এদিকে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড.মুনসুর আলম খান জানান,বৃদ্ধ মুছা করিমের আবেদনটি পড়েছি। তবে সে যেনো বাড়ি ঠাঁই পায়। দু’পক্ষের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা করা হবে।
মাসুদ/বার্তাবাজার/ভি.এস