ভ্যাকসিন সম্পর্কে চট্টগ্রামের গ্রহীতাদের ইতিবাচক মন্তব্য

করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বলে অভিমত ভ্যাকসিন গ্রহণকারীদের। গত রবিবার থেকে এই রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজারের অধিক করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।

প্রায় ৩০ হাজার আগ্রহী নিবন্ধন করেছেন। এদের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ২২ হাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার ১৪ উপজেলায় আবেদন করেছেন ৮ হাজার। এছাড়া জেলা ও মহানগর এলাকায় মোট ১ হাজার ৯০ জন করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন।

শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল চট্টগ্রামে সর্বপ্রথম ভ্যাকসিন নিয়ে শুভ সূচনা করেন। পর্যায়ক্রমে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেনসহ ফ্রন্ট লাইনের যোদ্ধা এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তারা ভ্যাকসিন গ্রহন করেন।

ভ্যাকসিন গ্রহনের পূর্বে একপ্রকার ভয় কাজ করেছিল জনমনে। তবে গত রবিবার ভ্যাকসিন দেওয়া আরম্ভ করলে উল্টো উৎসব আমেজ দেখা গেছে। ভ্যাকসিন গ্রহন করার জন্য আগ্রহের শেষ নেই। গত রবিবার থেকে এই পর্যন্ত যতজন ভিআইপি ভ্যাকসিন গ্রহন করেছেন। তাদের অনেকের সাথে বার্তা বাজার কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা.হাসান শাহরিয়ার কবির বলেন, গত রোববার উৎসব মুখর পরিবেশে ভ্যাকসিন গ্রহন করি। আমি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করছিনা এবং কেউ অনুভব করার খবরও পাইনি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) এর পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবির বলেন, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কোন খবর
পাওয়া যায়নি। মানুষ এত বেশী রেজিস্ট্রেশন করছে। সার্ভার পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে।

চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী বলেন, ভ্যাকসিন গ্রহণে কোন সমস্যা অনুভব করিনাই। সবার উচিৎ দ্রুত ভ্যাকসিন গ্রহণ করা।

নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী খাঁন বলেন, আমি এই পর্যন্ত কোন জ্বর ব্যথা বা অন্য কোন সমস্যা
অনুভব করছিনা। ভ্যাকসিন গ্রহণে যে উৎসব লক্ষ্য করেছি। এটি প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি বিজয়।

নগরীর পার্ক ভিউ হাসপাতালের ব্যবস্থপনা পরিচালক বলেন, আমি এখনো ভ্যাকসিন গ্রহণ করিনাই। তবে আমাদের পরিচিতদের মধ্যে ভ্যাকসিন
গ্রহণকারীরা কোন সমস্যা বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করতে শুনি নাই। আর কেন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকবে। এটি একটি টিকা। আজ সরকার আমাদের এত দ্রুত ভ্যাকসিন নিয়ে আসবে তা আমাদের দেশের জন্য কল্পনাতীত। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

নগরীর অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় ডাক্তার এম.এ রউফ বলেন, ভ্যাকসিন গ্রহণের পর আমার আগের চেয়ে আরো বেশী ভাল লাগছে। আমরা যারা করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে থাকি। ভ্যাকসিন গ্রহণে আমাদের দ্রুত নিরাপদ করে দিচ্ছে।

এলাকা পরিদর্শনে দেখা গেছে , ভ্যাকসিন নিতে সাধারন মানুষের যে ভয় ভীতি কাজ করেছিল। তা উল্টো আগ্রহ দেখা গেছে। যার ফলে, নিবন্ধনের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। এতে সার্ভার ডাউন হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, ভ্যাকসিন গ্রহনে ৫৫ বছর বয়স নির্ধারণ থাকলে গতকাল সোমবার থেকে ৪০ বছর নির্ধারণ করা হয়।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর