করোনা ভ্যাকসিনের প্রতি মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল নিজে ভ্যাকসিন গ্রহনের মধ্যদিয়ে চট্টগ্রামে করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন। চট্টগ্রামের ১১ টি জেলায় একযোগে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।
আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকার কর্মসূচি শুরু হয়।
মন্ত্রী ভ্যাকসিন নেয়ার পরে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবীর, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি প্রমুখ ভ্যাকসিন গ্রহন করেন। এ পর্যন্ত নিবন্ধনকৃত প্রায় দেড়শ জনের ফরম জমা পড়েছে।
ভ্যাকসিন নেওয়ার পর শারিরীক ভাবে কোন প্রতিক্রিয়া অনুভব করছেন কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপমন্ত্রী নওফেল বলেন, এই পর্যন্ত আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া বা নেগেটিভ কোনোকিছু অনুভব করছি না।
শুরুর দিন অনলাইনে নিবন্ধনকৃত ১০০ জনকে ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে। দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে।
চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, চট্টগ্রামে এক লাখ ৫৪ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আজ দুটি কেন্দ্রে চমেক হাসাপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী ও ৫৫ বছরের বেশি বয়সী যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন তাদের টিকা দেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ১৩টি কেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর সাংবাদিকদের বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার সকল উপজেলায় এক যোগে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ শুধুমাত্র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সাড়ে তিন হাজারের বেশি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। নগরে ১৫টি কেন্দ্র রয়েছে। প্রত্যেকটিতে ৬টি করে বুথ আছে। এখন পর্যন্ত ৫৫ বছরের যারা আছেন তারা রেজিস্ট্রেশন করতে পারছেন। কেবলমাত্র ১৮ বছরের নিচে এবং গর্ভবতী নারী ছাড়া পর্যায়ক্রমে সবার কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছানো হবে।
বার্তাবাজার/পি