জয়পুরহাটে পঞ্চম ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে এবারেও অংশ নেয়নি প্রাচীনতম বাম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)।
গত মঙ্গলবার জেলা নির্বাচন অফিসে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন ও স্বতন্ত্রসহ ৫ প্রার্থী মেয়র পদে লড়াই করতে মনোনয়ন জমাদেন। তবে মনোনয়ন জমা দেননি রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম দুই শরিক দল সিপিবি-বাসদ।
বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দলনে সক্রিয় থাকলেও নির্বাচনে কেন অংশ নেননি এবিষয়ে জানতে জেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এবিষয়ে জেলা বাসদের আহ্বায়ক ওয়াজেদ পারভেজ জানান, গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন দিয়ে অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব না। ৩০ ডিসেম্বর নৈশকালীন প্রহসনের নির্বাচনের পর জনগণ ভোটের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। জয়পুরহাট পৌর নির্বাচনে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে সেজন্যই বাসদের পক্ষ থেকে নির্বাচনে কোন প্রার্থী অংশ নেয়নি।
তবে বিভিন্ন ভাবে তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ইউনুছার রহমান নামের এক বাম্পন্থী নেতা পৌর নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে লড়াই করতে নির্বাচন অফিসে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তিনি জেলা সিপিবি’র সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি সতন্ত্র পদে নির্বাচন করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি পাঁচুরচক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সালের ডিসিম্বর মাসের শেষ তারিখে তিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে অবসর নেন। কৃষক সমবায় সমিতি নামের স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থার চেয়ারম্যান পদে বর্তমান দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষক হিসেবে তার বহুল পরিচিতি রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী ঘোষিত তফসিলে জানাগেছে, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ৪ ফেব্রুয়ারি আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১১ ফেব্রুয়রি। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি জয়পুরহাট পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রিফাত আমিন রিয়ন/বার্তাবাজার/পি