‘ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ, পাকা জামের মধুর রসে রঙিন করি মুখ’ পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের ‘মামার বাড়ি’ কবিতার পংক্তি গুলো বাস্তবরূপ পেতে বাকি রয়েছে আর মাত্র কয়েক মাস। তবে সুখের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে আমের মুকুলে।
এবছরই প্রথমবারের মত চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বানিজ্যিকভাবে ৪ হেক্টর জমিতেআম রূপালী, হাড়িবাঙ্গা, বাড়িয়াঙ্গা, কাটিমন প্রজাতির আম চাষ করেছে উপজেলার পরৈকোড়া, বটতলী, বারখাইন ইউনিয়নের চাষিরা।
এছাড়াও ১৪০ হেক্টর জমিতে সনাতন পদ্ধতিতে আমচাষ হয় এ উপজেলায়। বাড়ির আঙ্গিনা, পুকুর পাড়, রাস্তাঘাট ও পরিত্যক্ত জায়গায় সীমিত আমগাছ লাগানো হলেও এ চাষে তেমন কোনো পরিচর্যা করেন না চাষিরা। দেশি ও স্থানীয় জাতের আমগাছ হওয়ায় তাতে ফলনও কম বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। তবে এবার শীতের তীব্রতা কম থাকায় আমগাছে মুকুল এসেছে অনেকটা আগেই।
আগাম মুকুল দেখে অনেকে খুশি হলেও কৃষিবিদরা বলছেন, শীত বিদায় নেয়ার আগেই আমের মুকুল আসা ভালো কিছু নয়। ঘন কুয়াশা হলেই গাছে আগে ভাগে আসা মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা ফলনে প্রভাব ফেলবে। তবে এখন থেকেই আমগাছের বিশেষ যত্ন নিলে ফলনে কোনো সমস্যা হবে না।
উপজেলা সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সরওয়ার আলম জানান, এ উপজেলায় এবছরই প্রথমবারের মত বানিজ্যিকভাবে ৪ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির আম চাষ করেছে চাষিরা। অন্যান্য বছরের চেয়ে অনেকটায় বেড়েছে আম চাষে আগ্রহ। ভালো আম পেতে যত্ন নিতে হবে।
সুমন শাহ/বার্তাবাজার/এসজে