মাদারীপুরে পাওনা টাকা না দেয়ায় চেক ডিসঅনার মামলা করায় গ্রীস প্রবাসী দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে পাল্টা ধর্ষণ মামলা করেছে সৌদি প্রবাসীর পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার ছিলারচরে।
পুলিশ, পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন গ্রীস প্রবাসে কাটিয়ে দেশের মাটিতে পরিবার নিয়ে ভাল থাকার জন্য ব্যবসা শুরু করে দ্বীন ইসলাম। মাদারীপুর সদর উপজেলার ছিলারচর ইউনিয়নের কালিতলা বাজারের নিজ প্রতিষ্ঠান মের্সাস আমেনা ট্রেডাস থেকে একই ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী পরিবারকে দুটি ঘর নির্মানের জন্য গত একবছরে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল বাকিতে দেন। পরে একাধিকবার পাওনা টাকা চেয়েও না পেয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর চেক ডিসঅনার মামলা করে। প্রায় দুই মাস পর সৌদি প্রবাসী পরিবারের মেয়ে পপি আক্তার বাদি হয়ে পাল্টা ধর্ষণ মামলা করে। দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকার পর হাসপাতালে ধর্ষণের রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে হাইকোর্ট থেকে জামিনে আসে পাওনাদার দ্বীন ইসলাম।
সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে ৩০ হাজার টাকা পাবে। ১৫ লক্ষ টাকার মিথ্যা মামলা করেছে।
সৌদি প্রবাসীর পরিবারের মেয়ে পপি আক্তার বলেন, আমার অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল করার কথা বলে আমার সাথে শারিরিক সম্পর্ক করেছে। আমি তার ফাঁসি চাই।
মের্সাস আমেনা ট্রেডাসের মালিক গ্রীস প্রবাসী দ্বীন ইসলাম বলেন, টাকা না দেয়ার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়েছে। হাসপাতালের রিপোর্টও নেগেটিভ আসছে। আমি এই মিথ্যা মামলার বিচার চাই ও আমার পাওনা টাকা ফেরত চাই।
মাদারীপুুর জেলা সিভিল সার্জন ড. সফিকুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে একটি ভিকটিম ভর্তি হয়েছিল। আমরা চুড়ান্ত রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি।
মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান বলেন, আমাদের সদর মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্ত চলছে। অল্পসময়ের মধ্যেই আমরা পুলিশ প্রতিবেদন করবো।
আকাশ আহম্মেদ সোহেল/বার্তাবাজার/পি