টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেলেন টাইগার অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৩৮তম ওভারে জোমেল ওয়ারিকানের প্রথম বলে বাউন্ডারি মারেন, পরের বলে দুই রান নিয়ে ৯৯ এ পৌঁছান মিরাজ।
তৃতীয় বলটি ঠেকিয়ে পরের বলে দুই রান নিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি উদযাপন করেন তিনি। ১৬০ বলে ১৩ চারে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মিরাজ। তবে শেষ পর্যন্ত ১০৩ রানে থামে মিরাজের ইনিংস। রাকিম কর্ণওয়ালের বলে ফেরেন তিনি।
তার সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৩০ রান করেছে বাংলাদেশ। এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশ দলের। দলীয় ২৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা।
ব্যক্তিগত ৯ রানে কেমার রোচের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন ওপেনার তামিম ইকবাল। তামিমের বিদায়ের পর উইন্ডিজ বোলারদের সামলে এগিয়ে যাচ্ছিল সাদমান ইসলাম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।
কিন্তু ২৫ রান করে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটের শিকার হয়ে ফিরেন শান্ত। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরে হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন সাদমান। সাদমান হাফসেঞ্চুরি হাঁকানোর পরই জোমেল ওয়ারিকেনের বলে ক্যাম্পবেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মমিনুল।
২৬ রান করে ফিরেন মুমিনুল। মুমিনুলের বিদায়ের পর প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটেন সাদমান। ওয়ারিকেনের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ফিরেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ৫৯ রান। এরপর সাকিবকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন মুশফিক।
দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের ব্যাটে এগিয়ে যেতে থাকে টাইগাররা। তবে তাদের জুটিটি বেশিদূর এগোতে দেননি ওয়ারিকেন। ব্যক্তিগত ৩৮ রানে কর্নওয়ালের হাতে ক্যাচ দিয়ে ওয়ারিকেনের তৃতীয় শিকার হন মুশফিক।
এরপর দিবের বাকিটা সময় ক্রিজে ছিলেন সাকিব ও লিটন। সাকিব ৩৯ ও লিটন ৩৪ রানে অপরাজিত থেকে প্রথম দিন শেষ করেছিলেন। দ্বিতীয় দিনের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ওয়ারিকানের বলে বোল্ড হয়ে সাঝঘরে ফিরেন লিটন। তিনি ৩৮ রান করে ফিরেন।
অন্যদিকে দেড় বছর পর টেস্টে ফিরেই হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন সাকিব। ১১০ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। হাফসেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতে পূরণ করতে পারলেন না সাকিব।
রাকিম কর্ণওয়ালের বলে ক্রেইগ ব্রাথওয়েটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৬৮ রান করে ফিরেন তিনি। সাকিবের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন মিরাজ ও তাইজুল। ৯৯ বলে ৭ চারে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি।
হাফসেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন তিনি। ৭২ বলে ১৮ রান শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বলে তাইজুল ফিরেন। এতে তাদের জুটি থামে ৪৪ রানে। এরপর নাঈমকে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন মিরাজ।
একপ্রান্তে রান করে তুলে যান মিরাজ। অন্য প্রান্তে দাঁত কামড়ে ক্রিজে পড়ে ছিলেন নাঈম। নাঈম ৪৬ বলে ৪ চারে ২৪ রানের ইনিংস খেলেন। মিরাজ ১০৩ রানে আউট হলে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষ হয়।
বার্তাবাজার/এস.জি