বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. মিনহাদুজ্জামাল লীটনের বিরুদ্ধে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর পোস্টারিং করায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা দলীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম বুলু এক লিখিত বক্তেব্যে বলেন, সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী পরিবারের অভিভাবক, দুঃসময়ের কান্ডারী, সোনাতলা উপজেলা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী এ্যাডভোকেট মিনহাদুজ্জামান লীটনের বিশাল ব্যক্তিত্বকে ম্লান করার অপচেষ্টায় সম্প্রতি বগুড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে
সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্যাতিত নেতৃবৃন্দ ব্যানারে পোষ্টারিং করা হয়েছে।
তা সম্পূর্ন মিথ্যা, কাল্পনিক, ভূয়া ও বানোয়াট। প্রকৃত ঘটনা হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা, খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থাপনা ও ইউএনও মহোদয়ের সভাপত্বিতে প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রকাশ্য অনলাইন লটারীর মাধ্যমে সোনাতলা খাদ্য গুদামে শতভাগ সরকারি নিয়ম অনুসারে কৃষক সরাসরি ধান প্রদান করে থাকে। এছাড়াও উপজেলায় বিভিন্ন প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ও কোমলমতি শিশুদের বিনোদনের জন্য দোলনা প্রদান করা হয়েছে তা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সরাসরি তত্ত্বাবধানেই ক্রয় করা হয়েছে। এটার সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট নয়।
সোনাতলা উপজেলাধীন ০৭ টি ইউনিয়নের বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও মাতৃকালীন ভাতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিজস্ব অর্থায়নে দফায় দফায় মাইকিং করে যোগ্য ব্যক্তিদেরই প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও রিলিফ কার্যক্রম, এলজিএসপি প্রকল্প, তালিকাভুক্ত হাটবাজার ও গোপরচাপা বিল দখল, রশিদপুর ও পাতিলাকুড়া গ্রামকে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে তাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
মাহবুবুল আলম বুলু আরও বলেন, সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আহসানুল তৈয়ব জাকিরের ভাই ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মদলের সভাপতি আব্দুল আজিজ হিরার আপন ভাই বিএনপির সাবেক পৌর সভাপতি কুখ্যাত সন্ত্রাসী, ভুমিদস্যু, চাঁদাবাজ। রেজাউল করিম মানিক আকন্দ জেলা শ্রমিকলীগকে নেতৃবৃন্দকে ভুল বুঝিয়ে শ্রমিকলীগে যোগদান করে। উপজেলা আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠন ও সাধারণ মানুষের কাছে নিন্দনীয়। উপজেলা আওয়ামী লীগ, সকল ইউপি চেয়ারম্যান ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহীদুল বারী খান রব্বানী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক নবীন আনোয়ার কমরেড, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌসী রুম্পাসহ ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল হক মন্ডল, আলী তৈয়ব শামিম, প্রভাষক রুহুল আমিন, জুলফিকার রহমান শান্ত, অসীম কুমার জৈন নতুন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিষ্টার, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ফিদা হাসান খান টিটো, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন জুয়েল, উপজেলা কৃষকলীগের আহব্বায়ক আবু লায়েছ হোসেন নাহিদ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহব্বায়ক শাহনাজ তালুকদার বাবু, ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান রতন, সাধারন সম্পাদক সুজন কুমার ঘোষসহ অঙ্গ সংগঠনের সকল নেত্ববৃন্দ।
মিনহাজুল/বার্তাবাজার/এ.আর